Home / ডিজিটাল মার্কেটিং / সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন / ব্যাকলিংক / ওয়েব ২.০ / Web 2.0 থেকে কিভাবে ব্যাকলিঙ্ক নিবেন যা আপনার সাইটকে র‍্যাংকিং করবে। পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

Web 2.0 থেকে কিভাবে ব্যাকলিঙ্ক নিবেন যা আপনার সাইটকে র‍্যাংকিং করবে। পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

 

 

অনেক এসইও স্পেশালিষ্টদের মতে, ওয়েব ২.০ এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। তবে সেই পদ্ধতি টা একটু অন্যরকম।
যথাযথভাবে যদি ওয়েব ২.০ না করা যায় তবে শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই হবে না। তাই যদি ব্যাকলিংক তৈরী করতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য ভীষণ জরুরী।
কি কি জানতে পারবেন সেটা জানতে একপলকে এই পোস্টের বিষয়বস্তু একবার দেখে নিতে পারেন।

 

পোস্টের বিষয় সূচীঃ

Web 2.0 কী?

শুরু করার আগে আমাদের একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সেটা হলো ওয়েব ২.০ কী? আর কিভাবে সেটা আমাদের ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক তৈরীতে সাহায্য করবে।

ওয়েব ২.০ এমন কতকগুলো ওয়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত করে যেগুলো একটি ওয়েবসাইটের প্রাইমারী ইউজারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তৈরী।

একটি মূল ওয়েবসাইটের লিংক বিল্ডিং করার জন্য এই ওয়েবসাইটের মালিক নিজে অথবা অন্য কোন উপায়ে যখন একাধিক সিমিলার ওয়েবসাইটের সাথে লিংক সংযুক্ত করে তখন সেটা ওয়েব ২.০ এর আওতায় পরে।

প্রথম যখন ইন্টারনেট সেবা শুরু হলো তখন মানুষ শুধু সবকিছু দেখতে পারতো।

তারপর যখন ওয়েব ১.০ শুরু হলো তখনও মোটামুটি আগের অবস্থাতেই ছিল।

এই অবস্থা থেকে পরিবর্তনের যাতে করে ইউজাররাও তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে । এমনকি অনেকে চায় তার নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকুক। কিন্তু সেটি অনেক ব্যয় বহুল ছিল।এই জন্য ইউজারদের নিজস্ব শেয়ারিং ক্যায়ারিং সেবা নিয়ে হাজির হলো ওয়েব ২.০।

এর মাধ্যমে ইউজাররা তাদের মতামত কমেন্টের মাধ্যমে প্রকাশের পাশাপাশি চাইলে নিজেই একটি ওয়েবসাইটের মালিক হতে পারে। এমনকি অনেক ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইট তার ইউজারদের কোন ডোমেইন হোস্টিং ছাড়াই তাদের যাবতীয় কনটেন্ট প্রকাশ করা, অন্যের কনটেন্টে মতামত প্রকাশ করার সুবিধা দিচ্ছেন। যেমন ব্লগার বা ইউটিউব।

ওয়েব ২.০ মুলত করা হয় একটি ওয়েবসাইটের অফপেজ এসইও এর জন্য। এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমাণে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করা যায়।

 

ব্যাকলিঙ্কের জন্য ওয়েব ২.০ কি ভূমিকা রাখে?

খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে, একটি মূল ওয়েবসাইটের জন্য এর পাবলিশার অন্যান্য ফ্রি সাব ডোমেইনের মাধ্যমে মূল ওয়েবসাইটে ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করে।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট হচ্ছে এটার একটি সেরা উদাহারণ।

আপনি চাইলে WordPress.com  এর মাধ্যমে একটি ফ্রি ওয়েব ২.০ সাইট তৈরী করার জন্য কোন ডোমেইন হোস্টিং ছাড়াই একটি ব্লগ সাইট খুলতে পারবেন। যেখানে আপনি একটি ওয়েবসাইটের মতই সব কিছু করতে পারবেন।

এই ওয়ার্ডপ্রেস সাব ডোমেইনের সব কিছুরই কনট্রোল আপনার নিজের কাছে আছে। ফলে আপনি এখানে সব কিছু করার পাশাপাশি আপনার মূল ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্কও নিয়ম মেনে তৈরী করতে পারবেন।

উদাহরণের জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের কথা বলেছি। কিন্তু Blogger এবং Tumblr ও একই রকম কাজ করার মত ওয়েব ২.০ সাইট।

এই সমস্থ ওয়েব প্লাটফর্ম আপনাকে স্বাধীনভাবে আপনার কনটেন্ট পাবলিশ করার সুযোগ দিবে এবং এর মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার মূল ওয়েবসাইটে প্রচুর হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক জেনারেট করতে পারেন।

এই সমস্থ ওয়েব ২.০ ব্লগ সাইটের ডোমেইন অথোরিটি হাই থাকায় খুব শক্তিশালী ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করে যেটা সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এর জন্য প্রচুর সাহায্য করে।

Domain Authority 100 এর মধ্যে WordPress এর ডোমেইন অথোরিটি বা DA 97, Tumblr এর DA 98

 

কেনই বা ওয়েব ২.০ থেকে ব্যাকলিঙ্ক নেওয়া একটি সেরা আইডিয়াঃ

সবথেকে দারুন সুবিধা হচ্ছে যখন আপনি একটি ওয়েব ২.০ সাইটের মাধ্যমে ব্লগ তৈরী করছেন তখন আপনার কোন টাকা পয়সার খরচ হচ্ছে না। আপনি বিনা মূল্যে একটি হাই ডোমেইন অথোরিটির ব্লগ তৈরী করতে পারছেন।

এর ফলে আপনি আনলিমিটেড কনটেণ্ট ইচ্ছামত পাবলিশ করতে পারছেন।

যার কনট্রোল সম্পূর্ণ আপনার হাতেই থাকবে।

আপনার লিঙ্কগুলির নিয়ন্ত্রণ আপনার কাছেঃ

লিংক বিল্ডিং এর জন্য এটা একটা খুব স্মার্ট আইডিয়া যে আপনি নিজেই নিজের সাইটের জন্য প্রচুর হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করতে পারবেন।

নিজেই ইচ্ছামত এংকর টেক্স ব্যবহার করে লিংক জেনারেট করতে পারবেন।

যদি আপনার ব্যাকলিঙ্ক এর ওয়েবসাইট গুলি আপনার নিজের কন্ট্রোলে না থাকে তাহলে ভবিষতে আপনি যখন এই ব্যাকলিন বা এংকর টেক্স মডিফাই করতে চাইবেন তখন একটা ঝামেলার সৃষ্টি হবে।

কিন্তু যদি ব্যাকলিঙ্ক এর সাইটগুলি আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে আপনি সুবিধা অনুযায়ী ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য লিংক পরিবর্তণ কিংবা সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাংকিং এর জন্য ইচ্ছানুযায়ী কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ এঙ্কর টেক্স ব্যবহার করতে পারবেন।

 

আপনার চাহিদা অনুযায়ী প্রচুর লিংক নিতে পারবেনঃ

আপনি যখন অর্থ উপার্জনের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করতে চাইছেন তখন সেই সাইটের সার্চ ইঞ্জিনের টপে আসার জন্য আপনি চাইবেন প্রচুর ব্যাকলিঙ্ক আপনার সাইটে জন্য।

আর এই সুবিধাগুলি আপনি ওয়েব ২.০ সাইটগুলি ব্যবহার করে অনেক ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন

আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বুস্ট করার প্রয়োজন নেই। চাইলে এই সমস্থ সাইট থেকেই আপনি প্রচুর ভিজিটর আপনার সাইটে জেনারেট করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের টপে আনতে পারেন।

 

আমার সুপারিশকৃত ওয়েব ২.০ সাইট সমূহের তালিকাঃ

  • Com
  • com
  • google.com
  • com
  • ………………………………………………………………… এখানে আরো বাকীগুলো লিখতে হবে।

ব্যাকলিংক তৈরীতে ওয়েব ২.০ ব্যবহারে সতর্কতাঃ

আপনি যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আপনার সাইটকে র‍্যাংক করানোর জন্য ওয়েব ২.০ সাইটগুলি থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিবেন তখন আপনাকে কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনি আপনার ফ্রী ব্লগ সাইটগুলিকে এমনভাবে সাজাবেন যেন সেগুলোকে রিয়েল মনে হয়।

ভিজিটর বা সার্চ ইঞ্জিনগুলি যেন কোন ভাবেই মনে করতে না পারে যে এইগুলি আপনার মূল সাইটের প্রমোট করার জন্য।

আপনার সময় যেন কাজে লাগে আর কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্কও যেন পাওয়া যায়।

আপনার ওয়েব ২.০ ব্লগগুলিকে একটি প্রফেশনাল লুক দিনঃ

গুগল তার সার্চ রেজাল্টকে আরো উন্নত করার জন্য সব সময়ই প্রফেশনাল বিষয়গুলিকে মাথায় রাখে।

তাই যখন আপনার ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইটগুলিকে তৈরী করবেন তখন আপনার মূল ওয়েবসাইটের মতই এখানেও একটা প্রফেশনাল লুক দেওয়ার চেস্টা করুন।

আপনার সাইটগুলিকে এমনভাবে উপস্থাপন করার চেস্টা করবেন যেন সেগুলোকে দেখে কখনোই মনে না হয় সেগুলো আপনার নিজের ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করার উদ্দেশ্য তৈরী করা হয়েছে।

 

ব্লগে একটা স্টান্ডার্ড থিম ব্যবহার করুনঃ

আপনার ব্লগকে Realistic look আনার জন্য আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে একটা স্টান্ডার্ড থিম ব্যবহার করতে পারেন।

থিমটাকে হালকা কাস্টমাইজেশন করে একটা মোটামুটি পর্যায়ে আনুন।

আপনার সময় বাঁচাতে চাইলে আপনি ডিফল্ট থিম থেকে কনটেন্টের মান অনুযায়ী থিম নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

থিমটি অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং ব্রাউজার ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা যাচাই করে নিবেন।

 

অরজিনাল কনটেন্ট পাবলিশ করুনঃ

যেকোন ওয়েবসাইটের জন্য অরজিনাল কনটেন্টের কোন বিকল্প নেই।

আপনি যদি কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করার কথা ভেবে থাকেন তবে অবশ্যই আপনাকে অন্য কোন জায়গা থেকে কপি করা কনটেন্ট প্রকাশ করা যাবে না।

আপনি যদি কপি করা কনটেন্ট প্রকাশ করেন আর সেখান থেকে ব্যাকলিংক তৈরী করেন তাহলে সেটা স্পামিং লিংক হিসেবে গণ্য হতে পারে।

তাই যতটা সম্ভব ছোট আর্টিকেল হলেও অরজিনাল কনটেণ্ট পাবলিশ করুন।

আপনার সাইটটিকে র‍্যাংকিং এ আনার জন্য অন্তত প্রতি ১-৩ সপ্তাহের মধ্যে নিয়মিত পোস্ট করতে থাকুন। একবার টপে আসলে পরবর্তীতে মাসে ১-২ টা পোস্ট হলেও বিশেষ অসুবিধা নেই।

ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করার জন্য আপনার ওয়েব ২.০ সাইটে কমপক্ষে ৩টি বা তার বেশি অরজিনাল পোস্ট রাখবেন।

 

শুধু নিজের সাইটে নয় অন্য অথোরিটি সাইটেও লিংক সেটআপ করুনঃ

সোজা বাংলায় যেহেতু আপনার মূল ওয়েবসাইটের জন্যেই বিশেষভাবে আপনি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করছেন তাই আপনাকে আপনার সাইটের লিংক এমনভাবে সেট আপ করতে হবে যেন সার্চ ইঞ্জিনের সেরা স্বাভাবিক মনে হয়।

আপনি যখন প্রথমে পোস্ট করছেন তখন প্রথমে অন্য হাই অথোরিটি সাইটে লিংক সেটআপ করুন।

এটা আবার আপনার কম্পিটিটর সাইটে দিতে যাইয়েন না। আপনি আপনার কনটেণ্টের টপিক অনুযায়ী Wikipedia page, About.com topics Page ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করুন।

তারপর আপনি আপনার নিজের নিশ ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিন।

একটা পোস্টের শুরুতে নয় মাজে বা শেষের দিকে আপনার লিংক সেটআপ করুন।

একটা পোস্টে সর্বোচ্চ একটা লিংক দিন, এর বেশি নয়।

লিংকটি আপনার নিশ সাইটের এমন একটি পেজের দিন যেটা অনেক হাই কোয়ালিটির কনটেন্ট আছে। এবং সার্চ রেজাল্টের টপে আনার জন্য আপনি কাজ করছেন।

সঠিকভাবে সাজাতে ও ছবি ব্যবহার করতে ভুলবেন নাঃ

যেমনটি আমি আগেই বলেছি আপনার ওয়েব ২.০ সাইটের কনটেন্ট এমনভাবে উপস্থাপন করবেন যেন সেটাকে দেখে একটা প্রফেশনাল লুক মনে হয়।

আর যদি প্রফেশনাল উদ্দেশ্যেই আপনি আপনার ব্যাকলিংক তৈরী করতে চান তাহলে আপনার আপনার কন্টেন্টে সঠিকভাবে ছবি বা প্রয়োজনে ভিডিও লিংক সংযুক্ত করতে হবে।

অন্ততপক্ষে প্রত্যেকটি পোস্ট ১টি করে ছবি ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে মাজে মাজে ১টা করে ইউটিউব এর ভিজিও প্রদর্শন করতে পারেন।

ছবি বা ভিডিও আপনার নিজের ইউনিক হতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি চাইলে অন্য কোন ইউনিক ছবি বা ভিডিও লিংক এর মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রদর্শন করতে পারেন।

যাই করেন না কেন কনটেন্ট রাইটিং যেন প্রফেশনাল মানের হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখবেন।

যদি ওয়েব ২.০ সাইটে অন্তত ৩টি পোস্ট দেন তাহলে দুইটিতে ছবি এবং একটিতে একটি ভিডিও দিতে পারেন।

 

ব্যাকলিঙ্কের স্বাভাবিকভাবে স্থাপন করুনঃ

আপনি যখন প্রফেশনাল মানের একটি ওয়েব ২.০ সাইট তৈরি করেছেন তারপর আপনার ব্যাকলিঙ্ক স্থাপনের পালা শুরু হলো।

প্রশ্ন হলো আপনি আপনার ব্যাকলিঙ্ক কোথায় এবং কিভাবে সেট করবেন?

প্রথম পোস্ট করার পর আপনি আমার নিজের সাইটের লিংক শেয়ার করবেন না।

আপনি যখন ২য় পোস্ট করবেন তখন আপনি প্রথমে অন্য সাইটের লিংক দিন তারপর নিজের সাইটের লিংক একদম সঠিক এ এঙ্কর টেক্স ব্যবহার করে আপনার নিজের নিশ সাইটের লিংক দিন।

একটা পোশটে ১টার বেশি নিজের সাইটের লিংক তৈরী করবেন না।

তারপর চাইলে কয়েকমাস পরে সব গুলো পোস্টে আরো ১টি করে লিংক সেট করতে পারেন।

যদি আপনার একটি ওয়েবসাইটের জন্য একটি সাইট থেকে অনেক ব্যাকলিঙ্ক পায় তাহলে সেই ব্যাকলিঙ্কগুলির ভ্যালু কমে যায়। তাই বেশি ব্যাকলিঙ্ক না করে কেবল একটি সাইট থেকে সর্বোচ্চ ২টি লিংক নিতে পারেন।

 

ওয়েব ২.০ সাইটগুলির নাম একই রাখবেন নাঃ

আপনি আপনার সমস্থ ওয়েব ২.০ সাইটগুলির নাম একই রাখবেন না। এতে করে আপনার নিজেরি সমস্যা। তাই ভিন্ন ভিন্ন সাইটের আলাদা আলাদা কিন্তু রিলেটেড নাম ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি নামের এই সমস্যার দূরীকরণের জন্য ফেক নেম জেনারেটর FakeNameGenerator.com ব্যবহার করতে পারেন।

 

ওয়েব ২.০ এর জন্য আলাদা ই-মেইল ব্যবহার করুনঃ

গুগল অনেকটা হারামি টাইপের। সে সব সময় আপনার সমস্থ ডাটা খুজে বের করতে থাকবে এবং এনালাইসিস করতে থাকবে। যদি কোন ব্যাকলিঙ্ক স্পামিং মনে হয় তবে আপনাকে বিনা নোটিশেই ব্যান করে দিতে পারে।

অনেকেই বলে থাকেন ওয়েব ২.০ কাজ করছে না।

কারণ কি?

খুব সোজা, কারণ গুগল মনে করে আপনি সব ব্যাকলিংক নিজে নিজেই তৈরী করেছেন।

আপনি যখন ওয়েব ২.০ করছেন তখন একটা মেইল ব্যবহার করছেন অথবা সেই মেইলের জন্য একই মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করছেন অথবা কোন রিকোভারি মেইলের সাথে মিল আছে যেটার রেকর্ড আগেই গুগলের কাছে আছে।

মোট কথা আপনি যখন ওয়েব ২.০ করবেন তখন একটা সম্পূর্ণ আলাদা মেইল ব্যবহার করতে হবে। যে মেইলের মোবাইল নাম্বার কিংবা রিকোভারী মেইল কোন ভাবেই অন্য কোন ওয়েব ২.০ সাইটের সাথে মিল থাকতে পারবে না।

গুগল আপনাকে কোন ভাবেই যেন ডিটেক্ট করতে না পারে আপনি আগেও একই কাজ করেছেন।

একই সাথে ব্রাউজারে একটা মেইল লগ ইন থাকলে সেটা লগ আউট করে অন্য আরেকটা মেইল দিয়ে কাজ করলেও সমস্যা হতে পারে। কারণ গুগলের কাছে আপনার কুকি আছে।

তাই ব্রাউজারে সম্ভব হলে একোগ্নিটো মোডে ওয়েব ২.০ এর কাজ করতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ

কখনোই একই মেইল ব্যবহার করবেন না ওয়েব ২.০ সাইটগুলি তৈরী করার জন্য। এমনকি ওয়েবসাইজের জন্য Google Webmaster Tools এবং Google Analytics ভেরিফাই করার জন্যেও আলাদা আলাদা মেইল ব্যবহার করুন। মোবাইল কিংবা রিকোভারি মেইল পর্যন্ত যেন একটা মেইলের সাথে অন্য মেইলের কোন সম্পর্ক না থাকে।

 

Login Details একটা এক্সেল শীটে সেভ করুনঃ

আপনি যখন ওয়েব ২.০ এর কাজ করতে থাকবেন তখন প্রায়ই আপনাকে আপনার ব্লগ গুলিতে লগ ইন করার প্রয়োজন হবে।

কিন্তু যেহেতু আপনি আলাদা আলাদা মেইল ব্যবহার করছেন আলাদা আলাদা সাইটের জন্য তাই এত ইনফরমেশন সব সময় মনে রাখা সম্ভব হবে না।

আপনার কাজের সুবিধার্ধে আপনি একটি গুগল ডক্সে বা গুগল এক্সেল শীটে আপনার লগ ইন তথ্যগুলি সংরক্ষণ করতে পারেন।

এতে করে আপনার সময় বাচবে এবং ঝামেলাহীনভাবে আপনি কাজ করতে পারবেন আরো দ্রুত।

ওয়েব ২.০ সাইটগুলির অনপেজ এসইও করুনঃ

আপনার ওয়েব ২.০ সাইটগুলিতে অবশ্যই অনপেজ এসইও করতে হবে। যেন সাইটগুলিকে রিয়েলিস্টিক মনে হয়।

খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও এর চেকলিস্টগুলি হলো এমনঃ

  • ওয়েবসাইটের টাইটেল দিন
  • ওয়েবসাইটের মেটা ডিস্ক্রিপশন সংযুক্ত করুন
  • ওয়েবসাইটের মেটা কীওয়ার্ড সংযুক্ত করুন।
  • পোস্টের টাইটেলে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • কীওয়ার্ড পার্মালিঙ্কেও ব্যবহার করুন।
  • প্রথম প্যারাগ্রাফেই আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • পোস্টের বাকী অংশে কীওয়ার্ডের ডেনসিটি ব্যালেন্স রাখুন।
  • পোস্টে ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করুন।
  • ইমেজ ব্যবহার করলে প্রপার Image Alt Tag সেট করুন।
  • হাই কোয়ালিটি আউটবন্ড লিংক দিন, কমপক্ষে ১টা
  • সঠিক এঙ্কর টেক্সের মাধ্যমে আপনার নিশ সাইটের লিংক সংযুক্ত করুন।
  • সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন সংযুক্ত করুন।
  • পোস্টের ভিতরেই লিংক হুইলের জন্য অন্য পোস্টের লিংক দিন ।
  • কিছু মেন্ডাটরি পেজ তৈরী করুন।

 

Mandatory Page গুলি তৈরী করুনঃ

আপনি যে থিমেই ব্যবহার করুন না কেন সেখানে অবশ্যই বাধ্যতামুলক কিছু Mandatory Page তৈরী করুন।

  • About / About Us
  • Contact Form
  • Privacy Policy

About:

সাইটের About Page / About Us সংক্ষিপ্তভাবে বলতে পারেন আপনি কে, কি জন্য এই সাইটের সূচনা। অথবা এই পেজ থেকে ভিজিটর কি ধরণের তথ্য বা সেবা পেতে চলেছে এই বিষয়ে হালকা বর্ণনা দিতে পারেন।

Contact:

অনেকেরই মতো Contact Page এ শুধুমাত্র একটি মেইল দিয়ে চলে আসবেন না।

এখানে একটা পরিপূর্ণ Contact Form ব্যবহার করুন। এবং নিশ্চিত করুন এটা সঠিকভাবে কাজ করছে।

 

Privacy Policy:

আপনি একই প্রাইভেসি পলিসি আপনার সব ওয়েব ২.০ এর জন্য Privacy Policy হিসেবে সেট করতে যাবেন না।

তাহলে উপায় কি?

আপনি প্রতিবার GeneratePrivacyPolicy.com এর মাধ্যমে আপনার নিজের সাইটের জন্য একটা ইউনিক প্রাইভেসি পলিসি বানিয়ে নিতে পারেন। এরপর আপনি সেটা আপনার সাইটে ব্যবহার করুন।

আপনি এমনভাবে সাইটটিকে সাজান যেন সাইটটিকে দেখে মনে হয় কোন প্রফেশনাল উদ্দেশ্যে এইগুলিকে তৈরী করা হয়েছে।

 

আপনার ওয়েব ২.০ এর নামগুলি কি রকম হবে?

যখন ওয়েব ২.০ সাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করার প্রশ্ন চলে আসে তখন একটা প্রশ্ন মনে চলে আসে সাইটগুলির নাম কি হবে? কিভাবে এতগুলি সাইটের নাম সেট করবো?

আপনি আপনার নিশ রিলেটেড যেকোন নাম ব্যবহার করতে পারেন।

আমি NameTumbler ব্যবহার করি আমার ডোমেইন রিলেটেড নামের আইডিয়া পেতে।

আপনি একটি কীওয়ার্ড সিলেক্ট করে Combine Keyword With বক্সে দিয়ে Check Domain বাটনে ক্লিক করলেই আপনি অনেকগুলি নামের আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

ঐ নামগুলিকে আবার মডিফাই করে আবার সার্চ করে আপনার পছন্দসই নাম পেতে পারেন। অথবা দু’টো কীওয়ার্ড সংযুক্ত করেও আপনি আপনার নাম পছন্দ করতে পারেন।

………………… ছবি নাম থাম্বালার এর

 

 

অথবা অ্যামাজন সব থেকে ভাল আপনার নামের আইডিয়া পাওয়ার জন্য। সেখানে আপনার নিশ কীওয়ার্ডের পাশাপাশি এর সাথে সম্পর্কীত অন্যান্য কীওয়ার্ডও আপনি সহজেই পেয়ে যাবেন।

 

নিশ্চিত করুন লিংকগুলি যেন ইনডেক্সিং হয়ঃ

আপনি যে ওয়েব ২.০ এর জন্য লিংক তৈরী করলেন সেগুলো যদি ইনডেক্সিং না হয় তাহলে কী ফায়দা?

অধিকাংশ ওয়েব ২.০ সাইটের তৈরী করা লিংকগুলি অটোমেটিক্যালি ইনডেক্সিং হয় কিন্তু আপনি ম্যানুয়ালি চেক করবেন কিছু দিন পর যে আসলেই আপনার বিল্ড আপ কৃত লিংকগুলি ইনডেক্সিং হয়েছে কি’না।

যদি না হয় তাহলে সেগুলোকে আপনি Ping করতে পারেন।

 

মূখ্য পয়েন্টগুলিঃ

  • সাইটের লিস্ট তৈরী করুন যেখানে আপনি ওয়েব ২.০ তৈরী করতে চাচ্ছেন।
  • আপনার নিশ রিলেটেড সাইটের জন্য Random Name সিলেক্ট করুন
  • প্রতিটি সাইটের জন্য আলাদা আলাদা মেইল ব্যবহার করুন। এবং মেইলগুলি সংরক্ষণ করুন Google Excel Sheet অথবা Google Docs এ অথবা অন্যখানে যাতে সহজেই সেগুলো পাওয়া যায়।
  • একটা মেইল থেকে একটির বেশি Google Webmaster Tools এবং Google Analytics সেট আপ করবেন না।
  • ওয়েব ২.০ সাইটগুলিতে সাইন আপ করুন।
  • একটা স্টান্ডার্ড থিম ব্যবহার করুন।
  • কিছু মেন্ডাটরি পেজ তৈরী করুন।
  • হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরী করুন; ছবি এবং ভিডিও সমেত
  • শিডিউল অনুযায়ী কনটেন্ট পাবলিশ করুন।
  1. প্রয়োজন অনুযায়ী Outbound Link / Resource link সেট আপ করুন।
  2. Internal Linking করুন এবং আপনার নিশ সাইটের backlink তৈরী করুন।
  3. Ping করুন এবং ২ সপ্তাহের মতো অপেক্ষা করুন ইনডেক্সিং হওয়ার জন্য।

 

ওয়েব ২.০ থেকে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার জন্য আশা করি আপনি একটি পরিপূর্ণ ধারণা দিতে পেরেছি। তারপরেও যদি আপনার কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন কিছু জানার থাকে তবে আপনার মতামত জানাতে দ্বিধাবোধ করবেন না।

হতে পারে আপনার কাছ থেকেও আমি হয়তো কিছু শিখতে পারি। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.