Home / আত্ম উন্নয়ন / উপস্থাপনা / মঞ্চের ভয়কে দূর করুন

মঞ্চের ভয়কে দূর করুন

এখানে উপস্থাপক হিসেবে আপনি কিভাবে আপনার মঞ্চের ভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

একজন উপস্থাপক বা বক্তা হিসেবে সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হলো মঞ্চের ভয়। স্বাভাবিকভাবে আমরা ভাল করে কথা বলতে পারলেও যখনি কোন মঞ্চে উঠি বা কারো সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করি তখন যেন সব কিছুই এলোমেলো হয়ে যায়। কি বলতে চেয়েছিলাম আর উঠে শেষ পর্যন্ত সেটা বলাই হয় না।

তাই প্রতিটি বর্ণনাকৃত প্রটিটি পয়েন্ট মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং আপনার বাস্তব জীবনের সাথে মিলানোর চেস্টা করুন। এই পদ্ধতিগুলো পড়ে সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আবার মঞ্চে উঠা বা কারো সামনে কথা বলে একজন সফল বক্তা হয়ে উঠার চেস্টা করুন।

আপনার প্রস্তুতি কেমন?

একজন বক্তা হিসেবে আপনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি ছাড়া আপনার প্রস্তুতি আর কেউ জানে না। শ্রোতারা গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে আপনি ঠিক কি বলতে চান। তাই রিল্যাক্স থাকুন।আপনার যা প্রস্তুতি আছে সেটাকে পুজি করে বলতে শুরু করুন।

আপনার ভাষণের মধ্যে কতটা তথ্য আছে, কতটা প্রবাদবাক্য আছে, কতটা কবিতা আপনি সংরহ করেছেন সেগুলো শুধু আপনিই জানেন।

আপনি যদি ভাষণের কোন বড় অংশ ভুলেও যান, তাতে কি আসে যায়?

আপনি মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে কোন তথ্য ভুলে গেলেন, সেটা আপনি ছাড়া আর কে জানে?

আপনার যতটা মনে থাকে, সেটাকেই প্রভাবশালি রুপে বলুন আর আত্নবিশ্বাসের সঙে নিজের বক্তব্য শেষ করুন। যেটা আপনি একবার ভুলে গেছেন, সেটা আপনি এর পরের বার অবশ্যই মনে রাখতে পারবেন। আপনাকে যদি নিজের বক্তব্য রখার জন্য ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে আর আপনি মাত্রে ৬ মিনিটেওই ব্যবহার করতে পারেন, তাতেও লজ্জ্বিত হোয়ার কোন কারণ নেই। কারণ আপনি অন্ততঃ সেই সব ব্যক্তিদের থেক ভাল , যারা মঞ্চে উঠে প্রয়োজনের থেকে বেশি কথা বলেন আর অন্যদের সময়ও নষ্ট করেন।

শ্রোতারা আপনাকে কি হিসেবে দেখতে চায়?

উদাহরণ নিজের জীবন থেকে দিবেনঃ

আপনি যখনোই কোথাও আমন্ত্রিত হন বা আপনি নিজে থেকে এগিয়ে এসে কোন দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন, তখন অধিকাং শ্রোতা এটাই চাইবেন যে, আপনি যেন সফল হন।

যে ব্যক্তি মঞ্চে উঠে ভাষণ দেবার সময় নিজে ভয় পান, তার জেনে রাখা ভাল, শ্রোতা আপনার সফতার মধ্যে নিজের বিজয় দেখতে পান। কারণ আপনিও ওনারই মত এক সাধারণ ব্যক্তি। যে ব্যক্তি সবদাই মঞ্চে উঠে সাফল্যের সঙ্গে নিজের প্রস্তুতি রাখেন, তিনিও কখনো না কখনো আপনার মত বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন, এজন্য তিনিও আপনাকে সফল হতে দেখতে চান।

যখন সবাই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী তখন ভয় কিসের?

আপনি কি এমন কোন বক্তাকে চিনেন যিনি কখনো ব্যর্থ হননি?

“ সামনের দিকে এগোতে থাকা প্রতিটা পথই অসফলতার মোড়ে এসে থমকে দাঁড়ায়।কিছু যাত্রী এই সব মোরের মাথায় দাঁড়িয়ে পড়েন, আর সব সময় অসফলই থাকেন আর কিছু যাত্রী সাহস করে এগোতে থাকেন আর নিজেদের গন্তব্যে পৌছে যান”।

তাহলে আপনি আসফলতাকে কেন ভয় পাচ্ছেন? আব্রাহাম লিঙ্ককনের ঐহিসাসিক ব্যর্থতার পরে পাওয়া সফলতার কথা কেই বা না জানে?

বিশ্বাস করুন, এই পৃথিবীতে এমন কোন ব্যক্তি খুজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ যিনি কখনো মাইককে ভয় পাননি, মাইকের সামনে দায়িয়ে যার গলা শুকিয়ে যায়নি আর আপনি একজন সফল বক্তা হয়ে উঠার আগে সেই রকম পরিস্থতির ভেতর দিয়ে অবশ্যই যাবেন।

চেস্টা করলেই কি সাফল্য আসবে?

মঞ্চে উঠে আপনি ব্যর্থ হতেই পারেন। অনেক সময় এমনো হতে পারে আপনি যা বলতে চেয়েছেন সেটাই বেমালুম ভুলে গেছেন তবে এতে ভয় পাবার কিছু নেই।

আমি বলবো আপনি অভিনন্দনের পাত্র। কারণ আপনি চেস্টা তো করেছেন।

ভাবুন একটু ভুল হয়েছে তো কি হয়েছে? কথা বলতে ভুলে হয়েছে; তো কি হয়েছে? অথবা একটা বিব্রতকর পরিস্থতিতে পড়েছেন আপনার মনে হয় তো কি হয়েছে?

দেখুন এই সব মানুষ কিছুক্ষণ পরই এই সব কিছু ভুলে যাবে । মানুষ তাদের নিজেদের নিয়ে এত ব্যস্থ যে আপনার সম্পর্কে ভাবার তাদের কাছে কোন সময় নেই। আপনি বরং এখানে থেকে শিক্ষা নিন এবং সামনের দিকে এগিয়ে চলুন।

পিছনের দিকে তাকিয়ে সামনের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত নষ্ট করার কোনই মানে নাই।

“একটু ভেবে দেখুন; যদি আপনি নিজের ব্যক্তব্য বেশ কিছু লোকের সামনে জোরালো ভাবে রাখতে পারতেন, যদি আপনার মধ্যে ভাষণ দিয়ে যেকোন লোককে প্রভাবিত করার ক্ষমতা থাকতো তাহলে আপনি আজ নিজের কার্যক্ষেত্রে আর সমাজে কত উচুতে উঠে যেতেন”।

আপনি যাই করতে চান সেটা কত সহজেই মানুষকে বোঝানো যেতো। সবাই আপনার কথা শুনে প্রসংশায় হাততালি দিত। আপনি সম্মানিত হতেন।

একজন সফল বক্তা হিসেবে আপনি কিভাবে আপনার শ্রোতাদের মন জয় করতে পারেন। কিভাবে আপনি দর্শকের হাততালি পাবেন এই সব কিছুর বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হয়েছেঃ

“ভাবুন; যদি আপনার ভেতরে নিজের চিন্তা ভাবনা ও নিজের উৎপাদন বিক্রি করার অসাধারণ ক্ষমতা এসে পড়ে, যদি আপনার কথা যেকোন বক্তির হৃদয় জয় করে নিতে পারে, তবে আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আজ কোথায় পৌছে যেতো”।

আপনি যে অফিসে চাকরি করেন সেখানের কত বড় গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারতেন।

আপনি যে সমাজে বাস করেন আর যারা আপনাকে চিনে- আপনি যদি একজন সফল ব্যক্তা হোন তবে সবাই আপনাকে অনুকরণ করতে চাইবে। সবাই চাইবে আপনার মত করে কারো সামনে ব্যক্তব্য রাখতে।

আপনার সন্তান ঠিক আপনার মতই হতে চাইবে।

আপনি কি সত্ব্যিই সারা জীবনের সমৃদ্ধি আর প্রতিষ্ঠা পেতে চাইবেন না?

আপনি কি চাইবেন না আপনাকে সবাই অনুসরণ করুক?

রিল্যাক্স থাকুন, আপনি পারবেনঃ

ভাবুন তো আপনি যখন কারো সাথে কথা বলেন তখন আপনি কি করেন?

আপনার হাটু কাপে? গলা? কিংবা যা বলতে চান সেটা কি প্রায়ই ভুলে যান?

আজ্ঞে না।

মশাই, তাহলে ব্যক্তব্য দেওয়ার সময় এমন হয় কেন?

ভয় পাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই তো। স্বাভাবিক হোন। মনে রাখবেন সবাই কিন্তু আপনার মতই মানুষ।

সফল ব্যক্তিদের উদাহরণ ব্যবহার করুনঃ

তাই মঞ্চে উঠার সময় নিজেকে কৃত্রিমতা আর ভয়ের চাদরে মূড়ে ফেলবেন না। স্বাভাবিক থাকুন। সুন্দরভাবে নিজের ব্যক্তব্য শুরু করুন।

আর হ্যাঁ, কাউকে অনুকরণ করার চেস্টা করবেন না। প্রত্যেক ব্যক্তারি একটা নিজস্ব শৈলী আছে। এটাই হয়তো তার ব্যক্তব্যকে আরো বেশি পাঠকপ্রিয় করে তোলে? আপ্নারো একটা নিজস্ব শৈলী থাকা দরকার।

তাই স্বাভাবিক থেকে নিজেস্ব শৈলীতে আপনার ব্যক্তব্য শুরু করুন।

আরে মশাই, একবার মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সহজ হয়ে কথা শুরু তো করুন দেখবেন ভাষণ দেওয়ার আর প্রয়োজনই পড়বে না।

বিশেষ টিপসঃ

মনে রাখবেনঃ আপনি যদি রামধনুর আনন্দ উপভোগ করতে চান তাহলে বৃষ্টির জলকে সহ্য করার জন্য প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই দুটি জিনিস এক সাথেই আসে। এবার এটা আপনার উপর নির্ভর করবে যে, আপনি বৃষ্টির জলে ভেজার জন্য রেগে উঠবেন, না রামধনুর আনন্দ উপভোগ করবেন।

নিজের মৌলিকতায় কথা বলুনঃ

আমাদের মধ্যে প্রায়ই একটা ভুল হয় যখনই আমরা কোন মঞ্চে কথা বলার জন্য দাড়াই তখনি আমরা কোন বড় বড় বক্তার অনুকরণ করতে শুরু করি। এটার কোন প্রয়োজন নেই।

আমার মনে হয় অন্য কোন সফল ব্যক্তার অনুকরণের চেয়ে যদি আপনি আপনার মৌলিকতা বজায় রেখে কোন সাধারণ ব্যক্তির মত কথা বলেন তাহলে সেটা শ্রোতা অনেক বেশি পছন্দ করবে।

একজন শ্রোতা চায় আপনার মাঝে তার নিজেকে দেখতে।

তাই আপনি যখন কথা বলছেন তখন খুব স্বাভাবিকভাবে কথা বলুন। শুরুতেই এত বেশি প্রফেশনাল হবার কোন দরকার নেই। নিজেকে মহামানব হিসেবে তুলে ধরার পরিবর্তে নিজেদের দুর্বলতাগুলোকে সবার সামনে স্বীকার করে নেওয়ার যদি সাহস দেখান;আপনার মনে হবে আপনি লজ্জ্বিত হবেন; কিন্তু না, আপনি শ্রোতাদের আরো কাছে, শ্রোতাদের আরো কাছের লোক হয়ে উঠতে পারবেন। ওরা আপনার করা স্বাধারণ ছোট ছোট ভুলের মাঝে ওনাদের নিজেদের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। তাই আপনার ভুল দেখলে কিছুক্ষণের জন্য হয়তো একটু হাসলেও ওরাই আপনাকে মনে মনে সাধুবাদ দেয় এবং আপনার সঙ্গে আত্নীয়তা অনুভব করেন।

 

একটা বাস্তব উদাহরণঃ

একটা ঘটনার কথা বলিঃ একজন বক্তা কোন একটি বক্তব্য প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল। ভদ্রলোকটি মঞ্চে উঠে একটু ভিন্নভাবে নিজের বক্তব্য শুরু করলোঃ

“আমি যে ভাষণ তৈরী করেছিলাম, সেটা আমি হারিয়ে ফেলেছি। তাই এই মূহুর্তে আমার প্রচন্ড ভয় করছে। আমি এই মূহুর্তে এই মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে চাই… কিন্তু আমি এও জানি যে, যদি আজ আমি সাহস হারিয়ে ফেলি, তাহলে আমি আর কোনদিনও মাইকের সামনে এসে দাড়াতে পারবো না”।

“তাই আমি ঠিক করেছি যে, আমি যতই ঘাবড়ে উঠি না কেন, আমার যতটুকু মনে পড়বে, ততটুকু আমি বলবো। আমি আশা করি যে, আমার ভুল-ত্রুটিকে আপ্নারা মাফ করে দেবেন এবং আমাকে সাহায্য করবেন, যাতে আমি নিজের জীবনের প্রথম ভাষণ দিতে পারি”

এবার আপনি বলুন- আপনি যদি ওই জায়গায় থাকতেন তাহলে এই বক্তার এমন কথা শুনে আপনি কি করতেন। তাকে উৎসাহিত করতেন নাকি নতুন বক্তা বলে অবজ্ঞা করে এড়িয়ে যেতেন?

তাই ভয় পাবার কোন কারণ নেই আপনি যেভাবেই পারেন আপনার বক্তব্য চালিয়ে যান।

আপনার কাছে কি আছে কি নেই সেটা কে জানে? যতটুকু জানেন, যেভাবে জানেন, শুরু করুন।

একজন বক্তার বক্তব্য শুরুর প্রথম ১ মিনিট যদি সাহস করে কথা বলা চালিয়ে যেতে পারে তবে বিশ্বাস করুন, পুরো অর্ডিয়েন্স , আপনার ব্রেইন, পরিবেশ, উৎসুক জনতার দৃষ্টি সবকিছুই আপনাকে সাহস জোগাতে শুরু করবে। সবাই আপনাকে এটা বলতে শুরু করবে – আপনি চালিয়ে যান দারুন হচ্ছে।

আসলে কথা বলা শুরুর প্রথম কথা হচ্ছে কথা বলা শুরু করতে হবে।

বক্তব্য প্রদানে কতটা প্রভিতভার প্রয়োজন?

“আপনার বুদ্ধি যদি সাধারণ হয়, আপনার যদি শব্দের জ্ঞান খুব বেশি না থাকে বা আপনি যদি নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে কিছু ভুলও করে বসেন, তাহলেও আপনি শ্রোতাদের হৃদয় জয় করে নিতে পারবেন”

আপনার শ্রোতারা আপনার কাছে সম্পূর্ণতার আশা রাখেন না। তারা এটাই চান আপনি বলুন, আস্তে আস্তে দিন দিন আরো ভাল একজন বক্তা হয়ে উঠুন।

প্রথম দিনেই যদি তারা দেখে আপনি ব্যক্তব্যে বেশ পটু। তাহলে তাদের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা এবং দিনকে দিন আপনার আরো ভাল বক্তা হয়ে উঠার গ্রহণযোগ্যতা – এই দুইটা একজন শ্রোতার কাছে অনেকখানি প্রভাব ফেলে। প্রথম জনকে মেনে নিলেও ওরা দিনকে দিন বেড়ে উঠা বক্তার গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বেশি পছন্দ করে।

“আপনি যদি নিজের শব্দ দ্বারা ওঁদের জীবনে একটুও পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারেন, ওঁদের চিন্তা করার জন্য বাধ্য করে তোলেন, তাহলে ওঁরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে ওঠেন”।

“আপনি যদি যেকোন উপায়ে শ্রোতাদের হৃদয় স্পর্শ করে নেন, অথবা মনোজগতে ঝড় তুলতে সক্ষম হয়ে উঠেন, তাহলে শ্রোতারা তক্ষুনি আপনাকে “সফল” ঘোষিত করতে বাধ্য হবেন”।

এবার আপনার পালাঃ

আপনি যখন কথা বলবেন যেই বিষয়টা সম্পর্কে আপনি জানেন সেই বিষয়টা সম্পর্কে কথা বলা শুরু করবেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেই বিষয় নিয়ে কথা বলছেন শুরু এবং শেষেও একই বিষয়ে ফিরে আসবেন। এমন যেন না হয় আপনি বলা শুরু তো করেছেন একটা বিষয় নিয়ে আর যখন কথা বলা শেষ করেছেন তখন ঠিক কি বিষয় নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন সেটাই বলা হয় নি এমন করবেন না।

আস্তে আস্তে আপনার কথাগুলো বলুন। একটু ওলট পালট হলেও সমস্যা নেই।

আপনার উদ্দেশ্যে শ্রোতাদের কিছু দেওয়া। কিছু দেওয়া মানে কিছু কি সেটা আপনি জানেন, শ্রোতারা নয়। তাই আপনার যা আছে সেটা হৃদয় খুলে দিয়ে দেন। শ্রোতারা নিবে না মানে, নিতে বাধ্য।

আমি আমার অফিসের এমন কিছু বক্তার কথা বলতে পারি যারা কোন একটা বিষয়ের উপর ম্যানেজমেন্টকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যদি কোন একটা বিষয় নাও বুঝে তাহলেও শুরু করে আর একটা দুই টা কথা বলেই অন্য আরেকটা বিষয় নিয়ে কথা বলে পুরো সময় পার করে দেয়।

 

তাই আপনার কাছে একটা সুপরামর্শ থাকবে আপনি যখন কোন বক্তব্য শুরু করবেন তখনসেই টা সম্পর্কে জানে নিবেন । অথবা আপনি জানেন এমন ব্যক্তব্যই রাখবেন।

বলতে একটু সমস্যা হলে সমস্যা নেই। কিন্তু কি বলতে চান সেটা যদি না বুঝেন তাহলে সমস্যা আছে।

আসতে আসতে মনে সাহস নিয়ে আপনার বক্তাব্য শুরু করুন আশা করি আপনার মঞ্চ ভয় কেটে উঠবে ইনশাল্লাহ।

একজন বক্তার কি কি গুন থাকা দরকার জানতে চাইলে নিচের ছবিটাকে ক্লিক করুন।

সফল বক্তার গুনাগুন - smgrgroup

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.