Home / ডিজিটাল মার্কেটিং / এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং / নিশ সাইট / নিশ সাইটের জন্য অন পেজ সেটআপ এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন

নিশ সাইটের জন্য অন পেজ সেটআপ এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন

সার্চ ইঞ্জিনগুলো যেমন গুগল তাদের সার্চ রেজাল্ট আরো ইম্প্রুভ করার জন্য গুগল এলগরিদমের দিনে দিনে পরিবর্তন আনছে।

কিন্তু এই সব গুলো পরিবর্তনই অফ পেজ এসইও এর জন্য।

ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও একবার সেট হয়ে গেলে সেটা পরিবর্তন করা ঠিক না। তাই যখন একটি ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও করার প্রয়োজন হবে তখন সেটা একদম সঠিকভাবে করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের নতুন গুগল এলগরিদমের সাথে ফিট হয়।

অনপেজ এসইও কি?

গুগল র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর মূলত দু’টি আলাদা বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

  1. অনপেজ এসইও
  2. অফপেজ এসইও

অনপেজ এসইও এমন কতকগুলো কাজের সমষ্টি যেগুলো আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের ভিতরে কাজ করতে হবে। যেমন সঠিক টাইটেল, কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ সঠিক মেটা ডেস্ক্রিপশন, কীওয়ার্ড এবং রিলেটেড কীওয়ার্ড সমৃদ্ধ ট্যাগ, পোস্টের এঙ্কর টেক্স, পোস্টের লিঙ্কিং এক পোস্ট থেকে অন্য পেজে যেটাকে লিংক হুইল বলে ইত্যাদি।

এক কথায় আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েবসাইটে আপনি যা যা করবেন তার সব কিছুই অনপেজ এসইও। এই গুলো একবার সেট করে ফেললে আপনি এই গুলোর উপরেই অফপেজ এসইও করতে হবে।আপনি যত ট্র্যাফিক আনবেন তার সব কিছুই এই অনপেজের উপর নির্ভর করবে।

অন্যভাবে বলা যায়, অফপেজ এসইও আপনাকে হাই কোয়ালিটি ওয়েবসাইটের সাথে সংযুক্ত করবে যেটা আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েব ২.০ লিংক বিল্ডিং, হাই কোয়ালিটি গেস্ট পোস্টিং, ফোরাম এবং ব্লগ মার্কেটিং অথবা অন্য যেকোন লিংক বিল্ডিং কাজ করে ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং এর জন্য গুগলে একটা শক্তিশালী সিগনাল তৈরী করবে।

তাহলে অফপেজ এবং অনপেজের মধ্যে তুলনায় অনপেজের গুরুত্ব কতটুকু?

Moz এর কর্ণধর Dr. Pete Meyers এর মতে লিংক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে অনপেজ এসইও ৭০%এবং অফপেজ এসইও ৩০% কাজ করে।

অনপেজ অপটিমাইজেশনঃ

সব কিছু মাথায় রেখে নিশ সাইট মার্কেটিং এর জন্য আমি বেশ কিছু স্টেপে অনপেজ এসইও করি।

এখানে আমি সেই সমস্থ অনপেজ সিক্রেট টিপসগুলো শেয়ার করতে চলেছি যেগুলো ফলো করলে একটা ভাল কোয়ালিটির নিশ সাইট সফলভাবে অনপেজ এসইও করা যাবে।

 

কোয়ালিটিই প্রথমঃ

অনপেজ এসইও করতে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভাল কোয়ালিটির কনটেন্ট। কোয়ালিটির কনটেন্ট ছাড়া অনপেজের কোন গুরুত্ব নেই।

অনপেজ এসইও, Onpage SEO কি, অনপেজ এসইও কি, নিস সাইটের অনপেজ এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েবসাইটের এসইও, কোয়ালিটি কনটেন্ট,

একটা পোস্টের আপনার নিশ কীওয়ার্ডের পাশাপাশি এর সাথে সম্পর্কীত অন্যান্য কীওয়ার্ডগুলোও চলে আসে। এইগুলোকে আপনি হাই লাইট করে দিতে পারেন।

ভাল কোয়ালিটির কনটেন্টে এমনকি আপনি আপনার সাইটের অন্য আরেকটি লিংক সেট করে দিতে পারবেন।

কনটেন্ট ভাল মানের হলে এই পোস্টে আসা ভিজিটর তার যথাযথ তথ্য পাবে ফলে সাইটের বাউন্স রেট অনেক কম থাকবে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন অন্য সব সাইট থেকে আপনার সাইটকে অনেক প্রাধান্য দিবে।

তবে মনে রাখবেন “কনটেন্ট যেন শুধুমাত্র ভিজিটরদেরকে যথাযথ তথ্য দেওয়ার জন্যই তৈরী হয়, সার্চ ইঞ্জিনের জন্য”

এমনকি বিশেষভাবে কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরীর জন্য গুগল পর্যন্ত একটা গাইডলাইন দিয়ে দিয়েছে। গুগলের কোয়ালিটি কনটেন্ট গাইডলাইন থেকে জেনে নিতে পারেন।

এটার অর্থ আমরা বলতে পারি, গুগল যেহেতু কোয়ালিটি কনটেন্টের গাইডলাইন দিয়েছে তাই গুগল র‍্যাংকিং এ এটি বিশেষ ভুমিকা রাখে।

প্রত্যেক নিশ সাইট বিল্ডারদেরদের এই গুগলের গাইডলাইনটি ফলো করা উচিৎ।

 

মিডিয়া রিচ কনটেন্ট বানানো উচিৎঃ

সার্চ ইঞ্জিন সার্চ রেজাল্টের টপে আসার জন্য সবচেয়ে বড় দুইটা ম্যাট্রিক্স হচ্ছে

  1. How long People spend reading your content
  2. How long people interact with your pages.

আপনি যদি আপনার পোস্টে ভিজিটরদের অধিক সময় পার করাতে চান তাহলে আপনাকে আপনার টেক্স কনটেন্টের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ছবি, ক্ষেত্র বিশেষে ভিভিও দিতে পারেন। এতে আপনার কনটেন্ট আরো বেশি প্রফেশনাল এবং হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট এ পরিণত হবে।

অনপেজ এসইও, Onpage SEO কি, অনপেজ এসইও কি, নিস সাইটের অনপেজ এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েবসাইটের এসইও, কোয়ালিটি কনটেন্ট,

যে ভিজিটর আপনার কনটেন্ট পড়ছেন তার মনে হবে এই পোস্টটি লিখার সময় মূল বিষয়ের প্রতি কিছুটা স্টাডি করে লিখা হয়েছে।এটা মানে হচ্ছে আপনার ভিজিটর আপনার প্রতি বিশ্বাস অর্জন করতে শুরু করেছে। এবং তাঁরা আপনার সাইটে আরো বেশি সময় ধরে অবস্থান করবেন।

পোস্টে ব্যবহৃত ভিজিও যে সব সময় আপনার নিজের হতে হবে এমন কোন কথা নেই। ইউটিউব থেকে অনেক প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্টদের ভিভিও বা যে বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের অফিশিয়ালি কোন ছোট ভিডিও থাকলে সেটা ব্যবহার করতে পারেন।

 

একটু লম্বা কনটেন্ট তৈরী করুনঃ

গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলি আজকাল মানুষের কমন সাইকোলজি ব্যবহার করে কনটেন্টের কোয়ালিটি ভেরিফাই করতে শুরু করেছে।

আপনি যখন আপনার নিশ রিলেটেড কোন কনটেন্ট লিখতে শুরু করবেন তখন লক্ষ্য রাখুন যেন পোস্ট টি শর্ট টার্ম না হয়।

নিশ রিলেটেড কনটেন্টের ক্ষেত্রে আমি পরামর্শ দিই
“ল্যান্ডিং পেজের জন্য কমপক্ষে ১০০০ শব্দের উপরে কনটেন্ট লিখতে এবং নিশ স্পেসিক কনটেন্টের ক্ষেত্রে তা ১৫০০ শব্দের উপরে লিখতে”

 

Quality Outbound Link সংযুক্ত করুনঃ

গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো অন্য সাইট থেকে আপনার সাইটে যে লিংক গুলো আসছে এবং আপনার সাইট থেকে যে লিংক গুলো চলে যাচ্ছে সেগুলোকে মূল্যায়ণ করে।

আপনি যখন একটি নির্দিষ্ট নিশ কনটেন্টের উপর লিখছেন তখন আপনাকে পোস্টটি লিখার আগে অনেক স্টাডি করতে হয়েছে।

আপনি এই সমস্থ রেফারেন্স লিংক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন।

এতে আপনার সাইটটিকে অনেক বিশ্বাস মনে হবে।

গুগল মনে করবে আপনার সাইটটি অথোরিটি সাইট, এখানের পোস্টগুলি রিসার্চ করে বানানো হয়েছে।

এই সাইটের রেফারেন্স লিংকগুলি যতটা গুরুত্বপূর্ণ ততটাই গুরুত্বপূর্ণ এই সাইটিও।

আর্টিকেল এবং কনটেন্টে আপনার সংশ্লিষ্ট আউটবন্ড লিংক বা রেফারেন্স লিংক থাকলে এসইও ফ্রেন্ডলি হতে সাহায্য করে।

আপনার পোস্টটি যদি ছোট হয় তবে আপনি ১ বা ২ টি আউট বন্ড লিংক সংযুক্ত করতে পারেন।

কিন্তু আপনার পোস্টটি যদি বড় হয় তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় রিসোর্সের লিংক প্রয়োজন অনুয়ায়ী ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

 

প্রথম প্যারাগ্রাফেই কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং কনটেন্টে স্বাভাবিকভাবেঃ

আপনি যদি টার্গেটেড কীওয়ার্ড কার্যকরীভাবে আপনার কনটেন্টে পেতে চান তাহলে আপনাকে দু’টি জিনিস মাথায় রাখতে হবে।

  1. প্রথম ১০০ টি শব্দের মধ্যেই আপনার কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
  2. পোস্টের মাঝে স্বাভাবিকভাবে রিলেটেড কীওয়ার্ডগুলোর ব্যবহার করতে হবে।

খেয়াল রাখবেন আপনি যখন আপনার নিশ কীওয়ার্ড আপনার টাইটেলে ব্যবহার করবেন তখন যেন শুধুমাত্র কীওয়ার্ডটিই টাইটেলে ব্যবহার না হয়।

আপনার পুরো টাইটেলের মাঝে আপনি কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।

আর বিশেষত আপনি যখন পোস্টের মাঝে আপনার মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন তখন এর পাশাপাশি অন্যান্য কীওয়ার্ডগুলোও ব্যবহার করার চেস্টা করুন। তবে একটি কীওয়ার্ড থেকে অন্য কীওয়ার্ড ব্যবহার করার সময় মিনিমাম দুরুত্ব রাখবেন।

এমনযেন না হয় যে আপনি পোস্টের মূল বিষয় বস্তুর চেয়ে কীওয়ার্ড দিয়েই পুরো পোস্ট ভরিয়ে ফেললেন।

প্রতি ১ হাজারটি শব্দের মাঝে আপনি ১০টি কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার ইউআরএল এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করুনঃ

আপনার কনটেন্টের লিংক বা পারমালিঙ্কটি ভিজিটরকে প্রথম আপনার কনটেন্ট সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দেয়।

Moz.com এর তথ্য অনুযায়ী শর্ট পার্মালিঙ্ক কিন্তু শক্তিশালী কীওয়ার্ড ব্যবহার করলে গুগল র‍্যাংক পেতে সাহায্য করে।

আপনি যদি একটি বড় লিংক ব্যবহার করেন যেখানে আপনি আপনার কীওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন তাহলে একটা link Shortening  এর মাধ্যমে আপনার লিংকটি শর্ট করে নিন যেন ভিজিটর এবং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য সেটি সহজে বোধগম্য হয়।

এমন একটি Websites URL ব্যবহার করুন যেটা আপনার পোস্টটি কি সম্পর্কীত সেটা বুঝা যায়।

আপনি খুব সহজেই এটি আপনার ওয়ার্ডপ্রেসের টাইটেলের নিচে পেয়ে যাবেন সেখান থকে এটি ইডিট করতে পারবেন।

অনপেজ এসইও, Onpage SEO কি, অনপেজ এসইও কি, নিস সাইটের অনপেজ এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েবসাইটের এসইও, কোয়ালিটি কনটেন্ট,

আপনি এত ঝামেলা করতে না চাইলে আপনি কাজটি একবারেই করতে পারেন। এটি করতে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসের সেটিং থেকে পার্মালিঙ্ক অপশনে গিয়ে পোস্ট নেম অপশনটি সিলেক্ট করতে পারেন।

 

তাহলে বার বার আপনাকে লিংক চেঞ্জ করতে হবে না। আপনি যদি আপনার টাইটেলে কীওয়ার্ড ব্যবহার করেন তাহলে অটোমেটিক্যালি এটি আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল হয়ে যাবে।

 

Table of Contents এড করুনঃ

এই পোস্টের প্রথম টাইটেলের উপর পোস্টের বিষয়বস্তু নামে একটা টেবিল অব কনটেন্ট আছে। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই সেই টপিকের জায়গায় চলে যেতে পারবেন। পুরো পোস্টের হয়তো আপনার সব পয়েন্ট প্রয়োজন নেই তখন এই Table of Content  ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার পছন্দের টপিকে চলে যেতে পারেন।

গুগল সব সময় তার ভিজিটরকে একদম সঠিক, ইউনিক এবং মূল্যবান তথ্য পৌঁছে দিতে চায়।

CTR পরিমাপের মাধ্যমে গুগল যাচাই করে কোন সার্চ রেজাল্টটি ভিজিটরের জন্য একদম সঠিক।

গুগল টপ র‍্যাংকিং এর জন্য প্রয়োজন অধিক CTR যেটি আপনাকে অনেক বেশি ভিজিটর দিবে।এই জন্য আপনাকে একটি উচ্চমানের কনটেন্ট বানাতে হবে যাতে করে ভিজিটর সেটি পড়ার সময় অন্তত ১-২টি লিঙ্কে ক্লিক করে আরো পোস্ট পড়তে চায়।

এইজন্য ইন্টারনেট মার্কেটাররা অনেকগুলি পদ্ধতি প্রয়োগ করে ভিজিটরদের ক্লিক করানোর জন্য।কিন্তু উচ্চমানের কনটেন্ট না থাকলে সেগুলো নিষ্ফল।

গুগল তার সার্চ রেজাল্টের মধ্যে প্রয়োজন অনুয়ায়ী গ্রাহকটি টেবিল অব কনটেন্ট থেকে “Jump To” অপশন ব্যবহার করতে বলে।

নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।

এখানে গুগল ভিজিটরকে সরাসরি জামিং অপশন সাজেস্ট করছে। এখানে ক্লিক করলে আপনাকে পোস্টের হেডিং এ নয় বরং সরাসরি ঐ পোস্টের কাঙ্ক্ষিত রেজাল্টে নিয়ে যাবে।

যাইহোক আপনি দেখে থাকবেন উইকিপিডিয়াও এই ট্রিক্স ব্যবহার করে তার ভিজিটরকে সঠিক তথ্যটি পৌঁছে দিবার চেস্টা করে।

মানুষ সব সময় তার সার্চ রেজাল্টটি পেতে বেশি দেরি করতে চায় না। তাই আজকাল সবাই তাদের ওয়েবসাইটে টেবিল অব কনটেন্ট ব্যবহার করছে।

আরো অনেক কারণে গুগল এই টেবিল অব কনটেণ্টটিকে খুব পছন্দ করে।

আপনি আপনার ওয়েবসাইটে এই Table of Content Plugging টি ইনস্টল করে এই সেবাটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার কনটেন্ট রাইটিং কে অনেক বেশি প্রফেশনাল কনটেন্টে পরিণত করবে।

 

লোডিং স্পীডটিকে বৃদ্ধি করুনঃ

আপনি একটি হাই কোয়ালিটি প্রফেশনাল কনটেন্ট প্রকাশ করলেন। কিন্তু আপনার ভিজিটর যখন আপনার সাইটে আসবে তখন যদি আপনার সাইট স্লো হয়ে যায় তাহলে কেমন হবে?

গুগল এসইও র‍্যাংকিং এর জন্য লোডিং স্পীড সরাসরি ইফেক্ট করে।

তাই আপনি আপনার সাইটকে যতটা সম্ভব ফাস্ট করুন। আপনার অনপেজ এসইও কোন কাজেই লাগবে না যদি আপনার মেইল প্লাটফর্ম আপনার সাইট স্লো হয়ে যায় তো।

আপনি খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

আমি আমার নিশ সাইটে WP Rocket প্লাগিন ব্যবহার করি।

এছাড়াও W3 Total Cache প্লাগিনটাও আপনার ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড অনেকগুন বাডিয়ে তুলবে।

অনপেজ এসইও, Onpage SEO কি, অনপেজ এসইও কি, নিস সাইটের অনপেজ এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েবসাইটের এসইও, কোয়ালিটি কনটেন্ট,

কনটেন্ট সোশ্যাল শেয়ারযোগ্য করুনঃ

আপনার পোস্ট এর সেটআপ এমন হওয়া দরকার সেটা যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের উপযুক্ত হয়।

আপনি আপনার পোস্টের নিচে শোয়াল মিডিয়া বাটন ব্যবহার করতে পারেন।

ডানে, বামেও সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন ব্যবহার করতে পারেন।

তবে পোস্টের উপরে বা মাঝে ব্যবহার না করাই ভাল। এতে ভিজিটরের বিরক্ত চলে আসে।

আমি আমার নিশ সাইটে Floating Social Share Plugin  ব্যবহার করি।

সোশ্যাল শেয়ারিং আপনার সাইটকে সোশ্যাল শেয়ারিং করতে সাহায্যক করবে।

ইউনিক কনটেন্ট ব্যবহার করুনঃ

একটা ভাল মানের ইউনিক কনটেন্ট এসইও এর উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে।

আপনি যখন একটি ফ্রেস ভাল মানের ইউনিক কনটেন্ট আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করছেন তখন এটাও মনে রাখুন, এর সাথে ওয়েবসাইটের যে পেজগুলির লিংক করছেন সেগুলোও ইউনিক হওয়াটা দরকার।

যদি আপনার কাছে কোন বিশেষ টপিকের পোস্ট থাকে যেটা আপডেড করা দরকার তাহলে সেটা যত দ্রুত সম্ভব আপডেড করুন।

গুগল স্কোলিং করার সময় সব সময় নতুন আপডেড খুজতে থাকে। একই সাথে আপনার ভিজিটর যখন আপনার সাইটে আসবে তখন যদি দেখে যে আপনার সাইট আপডেড তখন সে বিশ্বাস্থ হয়ে উঠে। সার্চ ইঞ্জিনগুলিও সেই নতুন আপডেড তথ্যগুলো দ্রুত ভিজিটরের সামনে তুলে ধরে।

রেগুলার পোস্ট করার জন্য আপনি চাইলে শিডিউল পোস্ট করে রাখতে পারেন। এতে আপনার সময় অনেক বেঁচে যাবে।

একবার সাইট র‍্যাংক করে গেলে মাসে ২-৩ টা পোস্ট আপডেড হলেও তেমন বিশেষ অসুবিধা হবে না।

অ্যামাজন নিশ সাইটে যদি কোন প্রডাক্ট এখন আর পাওয়া না যায় কিন্তু আপনার সাইটে এখনো রিভিও আছে তবে সাইটে গিয়ে সেটা উল্লেখ করুন যে পণ্যটি এখন আর পাওয়া যাচ্ছে না। এবং নতুন প্রডাক্টের উল্লেখ করতে পারেন।

এবং আপনার সাইটেই আপনি চাইলে ভিজিটরকে অ্যামাজন ডট কমে প্রডাক্ট সার্চ করতে অফার করতে পারেন। এই জন্য আমি EasyAzon  প্লাগিন ব্যবহার করি।

 

ছবিতে Alt Text এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইটে যখন আপনি কোন ছবি ব্যবহার করবেন তখন সেটা ATL Tags এ আপনার কীওয়ার্ড সেট করুন।

ALT Text এ নিশ কীওয়ার্ড ব্যবহার করলে সেটা গুগলের ইমেজ সার্চ রেজাল্টের জন্য অনেক খানি সহায়ক হবে।

আমি যতগুলো ছবি ব্যবহার করি চেস্টা করি তার প্রত্যেকটিতে নিশ কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে।

আপনি যদি ইতিমধ্যে আপনার সাইটে কোন ছবি আপলোড করে থাকেন তাহলে সেগুলো আপডেড করুন।

ALT Text ভিজিটর দেখতে পারে না তবে সার্চ ইঞ্জিন গুলো এই তথ্য থেকেই ইমেজ রেজাল্ট প্রকাশ করে।

 

H2 এবং H3 Tag এ কীওয়ার্ড সংযুক্ত করুনঃ

Backlinko Thinks এর Barin Dean মনে করেন যে কীওয়ার্ড যদি H2  Tag এবং H3 Tag এ ব্যবহার করা হয় তাহলে সেটা গুগল র‍্যাংকিং এ প্রভাব ফেলে।

যাই হোক অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে সেগুলোর প্রকাশিত কনটেণ্টে H2 এবং H3 কীওয়ার্ড তাদের র‍্যাংকিংএ অনেক সহযোগীতা করেছে।

আমার অবিজ্ঞতায়, এটা সত্যিই অনেক সাহায্য করে। আমি আমার নিশ সাইটে আমার মেইন কীওয়ার্ড H2 এবং H3 Tag এ প্রায়ই ব্যবহার করি।

মূখ্য পয়েন্টগুলিঃ

  • হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরী করুন।
  • প্রথম প্যারাগ্রাফেই কীওয়ার্ড সংযুক্ত করুন এবং পোস্টে স্বাভাবিকভাবে যা আসে (কীওয়ার্ড ডেনসিটি ১% এর বেশি রাখবেন)
  • URL এ কীওয়ার্ড সংযুক্ত করুন।
  • প্রতি পোস্টে অন্তত ১-২টি মিডিডা হোক ছবি বা ভিডিও সংযুক্ত করুন
  • কীওয়ার্ড ইমেজ ALT Text এ ব্যবহার করুন।
  • কীওয়ার্ড H2 এবং H3 ট্যাগে ব্যবহার করুন।
  • কনটেন্ট কমপক্ষে ৭০০ শব্দের বেশি লিখুন।
  • কমপক্ষে ১-২টা হাই কোয়ালিটি কনটেন্টের আউটবন্ড লিংক সংযুক্ত করুন।
  • Table of Contents ব্যবহার করুন।
  • ওয়েবসাইটে স্পীড বৃদ্ধি করুন।
  • সোশ্যাল মিডিয়া বাটন সংযুক্ত করুন।
  • আপনার কনটেন্ট নিয়মিত আপডেড করুন।

এবার আপনার পালাঃ

যেমনটি আপনি এই পোস্টের উপর যেখলেন এখানে অনেক ছোট ছোট টিপস শেয়ার করেছি যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটে এসইও র‍্যাংকিং ধরতে পারবেন।

আমি আমার ওয়েবসাইটে এই রকমভাবেই কাজ করি।

যেহেতু অনপেজ এসইওতে আপনি খুব একটা পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন না তাই যখন আপনি ওয়েবসাইটে কাজ করবেন তখন এখানের প্রদত্ত গাইডলাইনগুলি সঠিকভাবে কাজে লাগালে আপনার সাইটে উন্নতি হবে আশা করি।

কোন মতামত থাকলে নির্দ্বিধায় জানাতে অনুরোধ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *