Home / ডিজিটাল মার্কেটিং / এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং / নিশ সাইট / কিভাবে অ্যামাজন আফিলিয়েট নিশ সাইট থেকে অর্থ উপার্জন করবেন?

কিভাবে অ্যামাজন আফিলিয়েট নিশ সাইট থেকে অর্থ উপার্জন করবেন?

যারা অনলাইনে ইনকাম করতে চান তাদের জন্য এটা একটা দারুন বিষয়। অ্যামাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট বানিয়ে খুব অল্প ইনভেস্ট করেও অর্থ ইনকাম করা যায়।

এখন মানুষজন আরো আরো আপডেড পদ্ধতি ফলো করে তাদের নিশ সাইট বানাচ্ছে আর এর ফলে আগের চেয়ে ইনকামও অনেক বেশি হচ্ছে।

আপনি যদি এই ধরণের অনলাইন ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার জন্য এখানে স্টেপ বাই স্টেপ সম্পূর্ণ গাইডলাইন দিয়ে দিব, এর ফলে আপনি অ্যামাজন এফিলিয়েট প্রগ্রামের মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক একটা একটা পার্ট ধরে ধরেঃ

 

পোস্টের বিষয় সূচীঃ

অ্যামাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট কি?

অন্যান্য অনেক ওয়েবসাইটের মতই নিশ সাইট একটি নির্দিষ্ট পণ্যকে কেন্দ্র করে বানানো হয়।একটা নিশ ওয়েবসাইটে কেবল মাত্র একটি প্রডাক্ট অথবা একই ক্যাটাগরি কয়েকটি প্রডাক্ট নিয়েও বানানো যায়।

খুব সহজ ভাষায় বলা যায় “অ্যামাজন ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট প্রডাক্ট বিক্রির উদ্দেশ্যে যে ওয়েবসাইট বানানো হয় সেটাকেই অ্যামাজনের নিশ সাইট হিসেবে বিবেচনা করা হয়”।

উইকিপিডিয়া অনুসারে

“Niche Blogging is the act of creating a blog with the intent of using it to market to a particular niche market. While it could be argued that every blog is, in some form, a niche blog, the term as it applies to marketing refers to a particular kind of blog”

এফিলিয়েট এক্সপার্টদের মতে, “একটা নির্দিষ্ট টাইপের প্রডাক্টের জন্য ৩০ থেকে ৫০ টি আর্টিকেলের একটি ওয়েবসাইটই হলো নিশ সাইট যেটি ঐ নির্দিষ্ট প্রডাক্টকে প্রমোট করে”

অবশ্যই এই অ্যামাজনকে এই বিশেষ কার্যকরী এফিলিয়েট প্রগ্রামের জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাতে চাই যার কারণে অনেকেই এখন ইন্টারনেট ইনকামে স্বাবলম্বী হতে পারেছে।

লাভজনক নিশ খুজুনঃ

অ্যামাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম হতে অর্থ উপার্জনের জন্য সর্বপ্রথম একটা নিশ কীওয়ার্ড অথবা একটা স্পেসিক প্রডাক্ট পছন্দ করে নিতে হবে। অর্থাৎ আপনি যে প্রডাক্টের উপর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কাজ করতে চাচ্ছেন সেই নির্দিষ্ট নিশটি অথবা একটা নির্দিষ্ট পণ্য বেঁছে নিতে হবে। পরবর্তীতে এটার উপরই কাজ করতে হবে।

তাই আপনি অ্যামাজনের ওয়েবসাইট থেকে রিভিউ দেখে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিশ অথবা নিশ পণ্য পছন্দ করে নিন।

আপনি খুব সহজেই একটি লাভজনক নিশ বেঁছে নিতে পারবেন ছোট্র কয়েকটি স্টেপ ফলো করেইঃ

অ্যামাজন ক্যাটাগরি গুলি দেখুনঃ

নিশ সাইটের আইডিয়া নেওয়ার জন্য অ্যামাজন ক্যাটাগরি সব থেকে ভাল উৎস হতে পারে। আপনি প্রত্যেকটি ক্যাটাগরিতে হাজার রকমের প্রডাক্ট নাম দেখতে পাবেন যেগুলো থেকে যাচাই বাছাই করে আপনি আপনার নিশ কনটেন্ট কীওয়ার্ড নির্বাচন করতে পারবেন।

স্টেপ সমূহঃ

  1. একটি ক্যাটাগরি পছন্দ করুন যেখানে আপনি আপনার পছন্দনীয় প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করতে চান।
  2. সাব ক্যাটাগরি গুলি দেখুন
  3. বাম পাশের কলামের দিকে লক্ষ্য করুন অনেক প্রডাক্টের মূল্য গড়ে ১০০ ডলারের উপর আছে এমন কীওয়ার্ড নির্বাচন করুন। এবং এর সঙ্গে সেই প্রডাক্টের কাস্টমার রিভিও ৩.৫ এর মধ্যে বা এর উপর আছে কি’না সেটাও দেখে নিন।

লাভজনক নিশ কীওয়ার্ড বাছাই করবেন কিভাবে?

EmpireFlippers এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে অ্যামাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট কেনা বেচা করা হয়।

তাঁরা তাদের মার্কেট লিস্টে কোন সাইট সংযুক্ত করার আগে প্রত্যেকটি সাইটকে রিভিউ করে । সুতারাং এখানের সাইট সমুহের মধ্যে কোন ভুল ইনফরমেশন থাকার কোন সম্ভাবনাই নাই।

EmpireFlippers তাদের সিরিয়াস ক্রেতাকে ৫% অগ্রিম জমা নিয়েই কেবল মাত্র সাইট দেখার পার্মিশন দেয়। এবং এই সাইটের মূল লিঙ্ক অর্থাৎ সাইটের নাম পর্যন্ত তাঁরা গোপন রাখে এবং কাউকে দেখতে দেয় না।

এই সাইটের মাধ্যেমে আপনি আপনার লাভজনক নিশ বাছাইয়ের জন্য দারুন সব আইডিয়া পেতে পারেনঃ

কিভাবে??

আপনি সেখানে হাজারো এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাইট পাবেন এবং এখানে বুঝতে পারবেন তাঁরা আসলে কিভাবে কাজ করছে।

যেমন নিচের পিকচারটি লক্ষ্য করুনঃ

আপনি যদি কোন লিস্টের উপর ক্লিক করেন তাহলে আপনি আরো বেশি তথ্য পেয়ে যাবেন। আপনি এখানে সেই সাইটের বর্ণনা সহ কন্টেন্ট আইডিয়াও দেখতে পাবেন।

সুতারাং আপনি বুঝতে পারবেন এই এ্যাফিলিয়েট সাইটটি কি সম্পর্কীত এবং কিভাবে তাঁরা এই সাইটি তৈরী করেছে।

 

The SweetHome.Com এর মাধ্যমে নিশ আইডিয়া পেতে পারেনঃ

সুইটহোম একটি টপ র‍্যাংকিং ওয়েবসাইট যেখানে কয়েক হাজারেরও বেশি কীওয়ার্ড আছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য। প্রত্যেকটি কীওয়ার্ড অনেক রিসার্চ করে তাঁরা ব্যবহার করেছে। আপনি সেই সকল কীওয়ার্ড থেকে আপনার কাঙ্গখিত কীওয়ার্ড পছন্দ করতে পারেন।

আপনি এটা কিভাবে করতে পারেন?

আপনাকে শুধু সুইট হোম ওয়েবসাইটি ভিজিট করুন আর এখানে শত শত রকমের লাভজনক নিশ আপনি দেখতে পারবেন। বাকী আর কি করতে হবে আশা করি আপনি বুঝতে পারবেন।

iWriter Profile থেকে নিশ সাইট আইডিয়া নিতে পারেনঃ

আমি আমার নিশ সাইটের কনটেন্ট লিখার জন্য আইরাইটার ব্যবহার করি। এবং আমি জানি অনেক এফিলিয়েট মার্কেটিং এক্সপার্টরাও এই সেবাটি ব্যবহার করে।

তো কিভাবে আমরা এই সাইট থেকে লাভজনক নিশ আইডিয়া পেতে পারি?

আপনি খুব সহজেই টপ র‍্যাংকে থাকা রাইটারদের প্রফাইল চেক করতে পারেন আর জানতে পারেন তাঁরা কি নিয়ে লিখা লেখি করছে।

তাদের প্রফাইল থেকে তাদের কনন্টেন্ট চেক করুন। তাদের আগের পোস্ট গুলো থেকেও আপনি অনেক নিশ আইডিয়া পেতে পারেন। তাঁরা এইগুলো লিখে যারা অন্য সব মার্কেটারদের কাজে আসে, সুতারাং আপনি খুব সহজেই এই সব কীওয়ার্ড আইডিয়া আপনার নিশ সাইটের জন্য নিতে পারেন।

টপ টেন রিভিও থেকে নিশ সাইট আইডিয়া নিতে পারেনঃ

টপ টেন রিভিও এখন কয়েক লক্ষ্য ডলারের কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে শুধুমাত্র প্রডাক্ট রিভিও এবং সার্ভিসের রিভিও করে।

তাঁরা অ্যামাজনে আছে এমন হাজার রকমের প্রডাক্ট এ তাদের রিভিও রেট করেছে এবং সেটা পাবব্লিশ করছে।

একটা বৃহত্তম কোম্পানি হিসেবে তাঁরা যেহেতু অনেক বড় বাজেট নিয়ে কাজ করছে তাই আমি নিশ্চিত তাদের অনেক এক্সপার্ট লোকবল আছে যারা কীওয়ার্ড নিয়ে সব সময় রিসার্চ করে। যেটার ফলাফল আপনি তাদের ক্যাটাগরিতে দেখতে পাবেন। আপনি অনায়াসে এই ক্যাটাগরি থেকে আপনার পছন্দসই নিশ সাইটের আইডিয়া নিতে পারেন।

এর পরে কি?

ধরে নিলাম আপনি অনেক পরিশ্রম করেছেন কীওয়ার্ড পছন্দ করতে। কিন্তু এর পর কি হবে? এর পরের স্টেপ কি হবে?

আপনি যদি উপরের স্টেপগুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করেন তো এটা নিঃসন্দেহে আমি বলতে পারি আপনি অবশ্যই এমন নিশ আইডিয়া পেয়ে গেছেন যেটারঃ

১. অন্তত ১০ জন্য কাস্টমার ভাল রিভিও করেছে

২. অন্তত ১০০ ডলার গড়ে মূল্য পাওয়া যাচ্ছে।

নিশ সাইট কীওয়ার্ড রিসার্চ প্রসেসটি নিম্নের ছবিতে লক্ষ্য করুন।

 

স্টেপ দুইঃ সঠিক কীওয়ার্ড রিসার্চ এবং কম্পিটিশন যাচাইঃ

আপনি যদি নিশগুলি বাছাই করে থাকেন তাহলে আপনাকে এর পর কীওয়ার্ড রিসার্চ এবং কম্পিটিশন সাইট রিসার্চ করতে হবে।

আপনি যে কীওয়ার্ডঅগুলি পছন্দ করেছেন সেগুলো যেমন আপনার সাইটটিকে অন্যরকম একটা লেবেলে নিয়ে যেতে পারে তেমনি এইগুলি যথাযথ রিসার্চ না করা থাকলে সাইটের তেমন উন্নতিও নাও হতে পারে।

তাহলে বোঝা যাচ্ছে সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করা জানা একান্ত দরকার।এবং ভবিষ্যতের জন্য আপনি যে সাইট বানাতে যাচ্ছেন সেই সাইটের বিপরীতে আপনাকে আর কি কি সাইটের সাথে পাল্লা দিতে হতে পারে অর্থাৎ আপনার কম্পিটিশন সাইটগুলি সম্পর্কেও রিসার্চ করা একান্ত দরকার।

 

আমি “গুগল এডওয়ার্ড” কীওয়ার্ড প্লানার ব্যবহার করি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য। এবং “লংটেইলপ্রো” ব্যবহার করি কম্পিটিটর জানার জন্য।

কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আমি AIDA Principle মাথায় রেখে কাজ করি।

সাধারণত মানুষ যখন অনলাইনে সার্চ করে যেমন “ক্যামেরা” লিখে তখন সার্চ ইঞ্জিনগুলি তাদের বেসিক কিছু ইনফরমেশন দেয়।

কিন্তু যখন মানুষজন কোন কিছু কিনতে যায় তখন তাঁরা প্রকৃতপক্ষে সেই জিনিসটিই সার্চ করে যেটা তার আসলে চায়। যেমন “নিকোন ডি৫৩০০ ডিএসএলআর ক্যামেরা রিভিও”।

খেয়াল করুন তাঁরা এখানে সেল কেমন কিংবা একই বিষয়ের উপর অন্য কোন তথ্য চাচ্ছে না।

নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন তাহলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কিভাবে AIDA Principle এর উপর ভিত্তি করে রিসার্চ চক্রটি কিভাবে কাজ করেঃ

পিক

এইগুলি ছাড়াও আপনি সার্চ করার জন্য অর্থাৎ আপনার নিশ কীওয়ার্ড এর জন্য এইভাবে সার্চ করতে পারেনঃ

  • Best/Top Rate + Product Name
  • Cheap + Product Name
  • Quality + Product Name
  • Product Name + For Sale
  • Product Name + Review/Reviews
  • Product Name + Coupon
  • Where Can I Buy + Product Name
  • Buy + Product Name
  • Best + Product Name + Review
  • Best + Product Name + Online
  • Best + Product Name + Year
  • VS/Or/Compare to + Product Name

আমি সব সময় “Best+Product Type” এইভাবে সার্চ করি আমার নিশ কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য।

এইভাবে ৫০+ কীওয়ার্ড পাওয়ার পর (এইগুলোর মধ্যে লং টেইল কীওয়ার্ড, রিভিও কীওয়ার্ড এবং রিসার্চ কীওয়ার্ড থাকতে পারে) আপনি খুব সহজেই আপনার পছন্দের নিশটি পেয়ে যাবেন এবং বাকী রিলেটেড নিশ কীওয়ার্ডগুলি আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এর জন্য কীওয়ার্ড হিসেবে সাহায্য করবে।

একটা স্ট্রেইটফরোওয়ার্ড নিশ বাছাই করার জন্য আমি সাধারণত নিচের তথ্যগুলি বিবেচনায় আনি।

  • Search Volume – 800 to 3500
  • KC – Under 30
  • Dozens of products available on Amazon
  • Product Price ranging from $50 to $500
  • Not a seasonal keyword

স্টেপ তিনঃ সঠিক ডোমেইন নির্বাচনঃ

একটা সঠিক নিশ এবং কীওয়ার্ড লিস্ট পাওয়ার পর আপনার প্রয়োজন হবে একটি সঠিক ডোমেইন নামের। আপনাকে এমন একটি ডোমেইন নাম নিতে হবে যেটা খুব সহজেই মনে রাখা যাবে, বোঝা যাবে আপনার সাইটটি কী রিলেটেড এবং এর মধ্যে কি কি তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

নিশ সাইটের জন্য কিভাবে একটি সঠিক ডোমেইন নাম নির্বাচন করতে হবে এই বিষয়ে আমি অলরেডি একটা পোস্ট দিয়েছি “”

ঐখানে গিয়ে বাকী বিষয়টা দেখে আসতে পারেন। তাই এই বিষয়টা নিয়ে আর আলোচনা করলাম না।

 

স্টেপ চারঃ সুপার ফাস্ট ওয়েব হোস্টিং নেওয়াঃ

টেকনিক্যালি একটা “ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস” এমন সার্ভিস দেয় যেখানে আপনার সাইটের সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং আপনার ভিজিটর কত দ্রুত আপনার সাইটটি দেখতে পারবে।

নিশ সাইটের হোস্টিং নির্বাচনের জন্য আপনাকে কতকগুলি বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।

সাইট লোডিং ইস্যু সব সময়ের জন্য ফাস্ট থাকতে হবে।

সাইট লোডিং হওয়ার সময়টা আসলেই এক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নরমাল ব্লগিং সাইটের থেকেও নিশ সাইটের লোডিং হওয়ার সময়ের মধ্যে অনেক তফাৎ আছে। নিশ সাইটের লোডিং হওয়ার সময় খুবই কম সময় লাগতে হবে। আর নয়তো ভিজিটর আপনার সাইটে আসতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত আর আসবে না। অথবা আপনার কন্টেন্ট না পড়েও চলে যাবে বিরক্ত হয়ে।তাই এই সাইট লোডিং হওয়ার বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

গুগল লোডিং স্পীডকে র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে দেখে।

নিশ সাইট মালিকদের জন্য এখনকার সময়ের ইন্টারনেটে Bluehost এবং Hostgator  অন্যতম সেরা হোস্টিং কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

আপনি চাইলে স্থানীয় কারো কাছ থেকে হোস্টিং নিতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে বলে নিবেন আপনি নিশ সাইটের জন্য হোস্টিং নিচ্ছেন, তাই পরে যাতে সাইট লোডিং নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে না হয়। (এটা নিজ দায়িত্বে নিবেন। অনেক স্থানীয়রাও আজকাল অনেক ভাল সার্ভিস দিচ্ছেন। আমি “ক্যারিয়ার সোর্স বাংলাদেশ” থেকে হোস্টিং ব্যবহার করি। সার্ভিস দারুন। চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।)

 

স্টেপ পাঁচঃ সাইট সেট আপ (CMS, Thems,Plugins & Configuration)

আপনি একটি ডোমেইন নাম হোস্টিং নির্বাচিত করার পর আপনাকে সাইটটি সেট আপ করতে হবে।

সাইট সেটআপ করার জন্য আপনাকে প্রথমেই সাইটটিকে ফাইংশনাল করার জন্য কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস ইন্সটল করতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস বর্তমান সময়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সিএমএস যেটি অনেক দ্রুত ফাইংশনাল হয়, সুপার ফাস্ট এবং অনেক বেশি কাস্টমাইজেশন সুবিধা সহ সাইট টি ম্যানেজমেন্ট করাও অনেক সহজবোধ্য হওয়ায় এটি বিশ্বব্যাপি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

ইন্টারনেটের যত ওয়েবসাইট আছে তার মধ্যে প্রায় ২৫% ওয়েবসাইট এই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরী। তাহলে এবার বুঝুন ব্যাপারটা।

অ্যামাজন নিশ সাইটের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়া অন্য কোন সিএমএস প্লাটফর্মের কথা ভাবাই যাবে না। এটি অনেক থিমের মাধ্যমে সহজেই ডাইনামিক করা সহজ। এর মধ্যে সুবিধা মত প্লাগিন ইন্সটল করার মাধ্যমে সাইটকে খুব সহজেই ম্যানেজমেন্ট সহ সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে তৈরী করা যায়।

ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলিং ইমেল এর একটি একাউন্ড খোলার মতই একটি সহজবোধ্য।

নিশ সাইটের জন্য সবচেয়ে ভাল থিম হচ্ছে আমার মতে FocusBlog theme। এর মধ্যে কিছু অসাধারণ ফিচার আছে যেমনঃ

  • Extensive Look and Feel Options
  • Built for conversion
  • Very clean look and faster loading
  • Designs that are Both Mobile and Desktop Friendly
  • Extensive Look and Feel Options
  • Built for conversion
  • Very clean look and faster loading
  • Designs that are Both Mobile and Desktop Friendly

এছাড়াও আপনি চাইলে আরেকটি থিম Authority Azon নামের থিমটিও ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও এখন বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে Sahifa Theme এটির মাধ্যমেও সাইটিকে যেকোন যেকোন সাইটের পাশাপাশি একটি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্যও নিশ সাইট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি আপনার পছন্দমত অন্য কোন থিমও ব্যবহার করতে পারেন।

 

অ্যামাজন নিশ সাইটের জন্য কি কি প্লাগিন প্রয়োজন?

সাইটে থিম সেট আপ করার পর আপনাকে সাইটে প্লাগিন ইন্সটল করার প্রয়োজন হবে আপনার সাইটিকে কমপ্লিটলি নিশ সাইটের জন্য রেডি করার জন্য।

আমি আমার নিশ সাইটে কি কি প্লাগিন ব্যবহার করি তার তালিকা দিচ্ছিঃ

  • Yoast SEO
  • Jetpack by WordPress.com
  • Akismet
  • EasyAzon
  • WordPress Backup to Dropbox
  • W3 Total Cache
  • Social Locker
  • Q2W3 Fixed Widget
  • Click To Tweet
  • Free Tools to grow your Email List, Social Sharing and Analytics by SumoMe
  • Pinterest Pin It Button On Image Hover and Post
  • Outbound Link Manager
  • Floating Social Bar
  • Contact Form 7
  • TablePress
  • Thrive Content Builder
  • Thrive Leads

 

স্টেপ ৬ঃ অত্যাবশীয় পেজ / মেনু বানানোঃ

কিছু কমন এবং অতাবশীয় পেজ অথবা মেনু বানানো প্রয়োজন আপনার সাইটটিকে অ্যামাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট হিসেবে মার্কেটিং করার জন্য।

  • About
  • Contact
  • Privacy Policy
  • Affiliate Disclosure

এই পেজগুলি শুধু আপনার সাইটটি সম্পর্কেই তথ্য দেয় তা নয় বরং গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনগুলিকে এটা বুঝাতে সহোয়োগীতা করে আপনার নিশ সাইটটি কি রিলেটেড এবং কেন।

 

স্টেপ সাতঃ সঠিক কনটেন্ট তৈরী এবং পাবলিস করাঃ

একবার আপনি আপনার সাইটটি তৈরী করা এবং ম্যান্ডাটরি পেজগুলি বানানোর পর আপনাকে এখন কনটেন্ট তৈরী এবং সেটা আপনার সাইটে প্রকাশ করা নিয়ে কাজ করতে হবে।

আপনি যখন কনটেন্ট লিখছেন তখন আপনাকে কিছু নির্দেশনা মেনে চলতে হবে যাতে করে আপনি সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং করতে পারেন।

তো চলুন সেই সব নির্দেশনাগুলি নিয়ে কথা বলা যাকঃ

লিখুন সেই সমস্থ বিষয় যেগুলো অর্ডিয়েন্স খুজছেনঃ /ভিজিটরের চাহিদা অনয়ায়ী লিখুনঃ

আর্টিকেলটি স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড হতে হবে এবং এর টাইটেলটি হওয়া উচিৎ ক্লিয়ার যাতে করে ভিজিটর বুঝতে পারে তাঁরা বুঝতে পারে আর্টিকেলটি কি বিষয়ে লিখা হয়েছে।

আপনার কম্পিটিটররা কি বিষয় নিয়ে লিখছেন সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখুন। তবে সেগুলো কপি করতে যাবেন না যেন। ঐ একই বিষয়গুলি নিয়ে আপনিও কাজ করতে পারেন।

সাধারণত রিভিও টাইপের কনটেন্ট আপনার সাইটে ভিজিটর আনতে পারে প্রচুর।

 

কনটেন্ট ফরমেটঃকমপক্ষে ৭০০ শব্দের রিভিও লিখুনঃ

পিক……………।

আপনি ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন SerpIQ তাদের বড় কন্টেন্টের জন্য গুগল র‍্যাংক অনেক ভাল পেয়েছে।

তাই আমার পরামর্শ থাকবে কমপক্ষে ৭০০ শব্দের উপরে আপনার আর্টিকেল লিখুন। এতে অনেক বেশি নিশ কীওয়ার্ড সংযুক্ত করতে পারবেন।

লং টেইল কীওয়ার্ড এর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫০০ শব্দের মধ্যে নিশ কনটেন্ট লিখার চেস্টা করুন।

 

অনপেজ এসইও করতে ভুলবেন না যেনঃ

আপনি যখন ভাবছেন কি ধরণের কনটেণ্ট লিখা যায় তখন এসইও প্রাকটিস করার কথাটা মাথায় রাখুন। খুজে বের করুন ভিটিটররা কি বিষয়ের উপর বেশি সার্চ করছে।

আর্টিক্যাল লিখার সময় কমন অনপেজ এসইও এর টেকনিকগুলি নিয়ে প্রয়োগ করতে ভুলবেন না যেন।দিনশেষে আপনার সার্চ ইঞ্জিন কতগুলি আর্টিকেল ইনডেক্সিং করতে পারছে তার উপর নির্ভর করবে সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে কতগুলি ভিজিটর দিবে। তাই কমন এসইও খুব ভাল ভাবে করবেন।

কনটেন্ট লিখার সময় অন্যান্য যে বিষয়গুলিও বিবেচনায় রাখতে হবেঃ

১. আপনার রিভিওতে আপনাকে ফটো, প্রডাক্ট ডিটেইলস সামারি, কাস্টমার ফিডব্যাক, অ্যামাজন রিভিও সিটাশন, প্রডাক্টের তুলনা এবং পণ্য সম্পর্কীত অন্যান্য তথ্যাদি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

২. ফটো প্রতিটা রিভিওতেই সংযুক্ত করতে হবে। পিকচারের লিঙ্কটাকে সব সময় সেই প্রডাক্টের সাথে লিঙ্কআপ করে দিতে হবে যে প্রডাক্টের লিঙ্কে আপনি ভিজিটর পাঠাতে চাচ্ছেন।

 

স্টেপ আটঃ সোশ্যাল মিডিয়া প্রফাইল তৈরীঃ

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের আনাগোনা কোথায়? সোশ্যাল সাইটগুলিতে তাই তো?

এখানেই আপনি আপনার সব রকমের কাস্টমার পাবেন । তাই আপনি খুব সহজে এখানে আপনার নিশ প্রডাক্ট টি নিয়ে কাজ করতে পারেন। আপনার পণ্যটি বিক্রির জন্য এটিই হতে পারে আপনরা সেরা মাধ্যম।

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে আপনার সাইটের জন্য অর্গানিক ভিজিটর পেতে পারেন যা আপনার সাইটটি সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এবং আপনার ব্র্যান্ড তৈরী করতে সহায়ক হবে।

বর্তমান সময়ে ফেসবুক এবং টুইটার হচ্ছে নিশ সাইট প্রোমোট করার জন্য সবচেয়ে সেরা মাধ্যম। তবে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলিতে আলাদা রকমের মজা আছে। এবং আপনি যদি সোশ্যাল সাইটগুলি ইনভেস্ট করতে পারেন তবে নিশ সাইটের জন্য অনেক বেশি ভিজিটর পেতে পারেন।

যদি ইনভেস্ট করতে চান তবে এইগুলিই হচ্ছে সেরা মাধ্যমঃ

  1. Facebook Page
  2. Twitter Account
  3. Google Business Page
  4. Pinterest Business Page
  5. Youtube Channel.

 

ছোট নিশ সাইটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কৌশলঃ

যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন ট্র্যাফিক আমার প্রথম পছন্দ তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে আমি বেশি সময় ব্যয় করি না আমার নিশ সাইটের এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য।তবে আপনার যদি একটা বড় গোল থাকে আর সময় থাকে তবে আপনি এখানে একটা চেস্টা করতে পারেন।

স্মল নিশ সাইটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে কাজ করাটা অনেক বেশি ফলাফল দেয়।

 

বড় নিশ সাইটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার কৌশলঃ

আপনার যদি একটা বড় অংশের ফলোয়ার থাকে তবে আপনি সব সময় তাদের আপনার প্রডাক্টের ব্যাপারে আপডেড রাখতে পারেন। এবং তাদের আপনার সাইটে আনতে পারেন অন্যান্য প্রডাক্ট প্রোমোট করার জন্য।

লার্জ নিশ সাইট অথবা অথোরিটি সাইটের জন্য আপনি চাইলে নিশ ইনফোগ্রাফ ব্যবহার করতে পারেন।

পিক…………।।

 

 

আমার কি পেইড সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং প্রয়োজন?

প্রফেশনালভাবে পোস্টিং করার জন্য ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলি সাধারণত পেইড সার্সিসের অফার করে থাকে। এবং এটির ফলে আপনি নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখানোর স্বাধীনতা রাখেন।

এটির ফলে হয়তো বেশি সংখ্যক মানুষকে প্রচারণা করা সম্ভবপর না হলে কাঙ্গখিত সংখ্যক গ্রাহকের নিকট তথ্যটি পৌছে দেওয়া যায়।

তবে আমি পরামর্শ দিবো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আপনি পেইড সার্ভিস ব্যবহার করবেন না। আপনি যখন ইউনিক মার্কেটিং করবেন তখন আপনি অনেক বেশি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করবেন সেখান থেকে পরবর্তিতে অনেক বেশি ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে আরেকটি সুবিধা হয় সার্চ ইঞ্জিনগুলি আপনার সাইটের বিপরীতে অনেক বেশি লিঙ্ক পায় ফলে আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক তাড়াতাড়ি ধরে যাবে।

 

স্টেপ নয়ঃ হাই কোয়ালিট লিঙ্ক বিল্ডিং

আপনার সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করানোর জন্য যেমন গুগলে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক এক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর ভুমিকা পালন করে।

আপনার যত বেশি অন্য সাইটে লিঙ্ক থাকবে অর্থাৎ আপনার যত বেশি ব্যাকলিঙ্ক থাকবে আপনি তত বেশি টার্গেটেড কীওয়ার্ড ভিত্তিক ভিজিটর পাবেন।

পিক

 

ছবিতে দেখা যাচ্ছে গুগলের ৬৬.৪৬% র‍্যাংকিং ফ্যাক্টরগুলি ব্যাকলিঙ্ক এর উপর সাথে জড়িত। সুতারাং হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ নিশ সাইটটিকে র‍্যাংকিং করানোর জন্য।

বাস্তবিকপক্ষেই যখন আপনি অন্য সাইটে আপনার লিঙ্ক সংযুক্ত থাকে তখন গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলি মনে করে আপনি অথোরিটি এবং তাঁরা আপনাকে হাই র‍্যাংকিং দেয়।

একজন নিশ সাইটের মালিক হিসেবে আপনাকে এটা জানা দরকার কোথায় আপনি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পেতে পারেন।

চলুন আপনার সুবিধার জন্য কিছু রিসোর্চ দিয়ে দিচ্ছিঃ

  • Web 2.0 Sites
  • Article Directories, like eHow
  • Social Media Sites
  • Social Bookmarking sites, like StumbleUpon, Reddit
  • Q&A Sites, like Yahoo! Answers and Quora
  • Quality Web Directories
  • Forum posts in niche specific forums
  • Photo sharing sites, like Flickr
  • Infographic creation and distribution
  • Guest Posts
  • Blog outreach
  • Resource page link building

এই সাইটগুলিটে আপনি খুব সহজেই আপনার নিশ সাইটের লিঙ্ক তৈরী করতে পারবেন।

যদি আপনি অন্তত প্রতিটা সাইটে থেকে ১০ টা করেও লিঙ্ক তৈরী করতে পারেন তবে আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার নিশ সাইটটি সঠিকভাবে ঠিক রাস্তাতে চলছে।

এবং এইভাবে আপনি যদি অন্তত ৩ মাস কাজ করতে পারেন তবে আপনার সাইটে প্রতিটি সাইট থেকে কমপক্ষে ১০০ থেকে ১৫০ টি করে ব্যাকলিঙ্ক তৈরী হয়ে যাবে।

ধীরে ধীরে আপনি এই ধরণের সাইটে কাজ কম করলেও আপনার সাইটে আগের বিপুল সংখ্যক লিঙ্ক সংযুক্ত থাকার কারণে সাইটি একটি শক্ত অবস্থানে দাঁড়াবে।

আপনি এর পাশাপাশি গেস্ট পোস্টিং এবং ব্লগ পোস্টিং ও করতে পারেন।

 

স্টেপ দশঃসঠিকভাবে লিঙ্ক সংযুক্তিকরণঃ

আপনি আপনার সাইটে ভিজিটর আনছেন ঠিকই কিন্তু আপনি ততক্ষণ পযন্ত ইনকাম করতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি আপনার ভিজিটরকে আপনার আপনার মাধ্যমে অ্যামাজন প্রডাক্ট ক্রয় করাতে পারছেন না। তাই আপনাকে লিঙ্ক সংযুক্তি করার ব্যাপারে বিশেষ সচেতন হতে হবে।

আপনি এই বিশেষ কাজটি কয়েকটি উপায়ে করতে পারেন। যেমনঃ

  • সবদা একটি কল বাটন প্রতিটি আর্টিক্যালের সাথে সংযুক্ত রাখুন। যখনই পোস্টের মাঝে চমকপ্রত কোন তথ্য প্রদর্শন করবেন তার সঙ্গে এই কল বাটন রাখতে পারেন।
  • প্রচুর ইন কনটেন্ট টেক্স লিঙ্ক ব্যবহার করুন। উদাহরণ স্বরূপঃ কনটেন্টে প্রতিটি সময়ে আমি আমার অ্যামাজন এফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহার করি প্রডাক্টের নাম সমেত। এতে করে আমি আমি আরো বেশি পরিমাণ ভিজিটরকে আমি আমার নিশ প্রডাক্ট দেখাতে পারি।
  • কনটেন্ট বডিতে আপনি চাইলে কালার লিখা প্রদর্শন করতে পারেন। এবং লিখার শেষে আপনি কল টু একশন সংযুক্ত করতে পারেন। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।
    পিক………………………………।।
  • পোস্টে সব সময় হাই কোয়ালিটি ছবি ব্যবহার করবেন। এবং অবশ্যই প্রণ্যের ছবিটাতে ক্লিক করতে যাতে আপনার টার্গেটেড লিঙ্কে চলে যায় সেই মত করে লিঙ্ক সংযুক্ত করুন।
  • তুলনামূলক টেবিল ব্যবহার করাটা অনেক বেশি ভিজিটরকে অনেক বেশি পরিমাণ আকৃষ্ট করে। এতে করে সহজেই কোন একটি প্রডাক্টের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে পারে একজন ভিজিটর। ফলে ভিজিটর টার্গেটেড অ্যামাজন সাইটে জেনারেট করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়।
  • দেখতে চমৎকার বাটন ব্যবহার করুন যাতে করে ভিজিটরকে সহজেই আকৃষ্ট করা যায়। কল টু এ্যাকশন কিংবা ক্লিক হেয়ার ফর কাস্টমার রিভিও নামের বাটন সুসজ্জ্বিত করে প্রদর্শন করলে ভাল ফলাফল পাবেন।

ভিজিটর রিভিও পরীক্ষা করুনঃ

প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার সমস্থ সাইটের রিভিও করে দেখুন। কোন লিঙ্কে বেশি ভিজিটর আসছে কোথায় কি রকম সমস্যা হচ্ছে কোথায় কি কি পরিবর্তন আনা দরকার ইত্যাদি জিনিসগুলি বিবেচনায় আনুন। এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন।

 

স্টেপ এগারঃ সাইটকে নিয়মিত পরিমাপ করুনঃ

নিশ সাইটে কাজ করাটা একটা কন্টিনিউয়াল কাজ।একবার আপনি পদ্ধতিটি বুঝতে পারলে বার বার আপনাকে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করতে হবে।

আমার দেখানো পদ্ধতি যদি আপনি ফলো করেন তবে আপনি দেখতে পাবেন আপনার সাইটি দিন দিন বড় হচ্ছে।

এখন আপনাকে আরো বেশি ট্র্যাফিক ধরে রাখার জন্য,আরো অনেক বেশি ভিজিটর রিসিভ করার জন্য আপনাকে আপনার সাইটির দিকে ইনভেস্ট করতে হবে। এটার মানে হলো আপনাকে আপানার সাইটে কনটেন্টের জন্য আরো বেশি ইনভেস্ট করতে হবে। এটা হতে পারে আপনি কোন কনটেন্ট মার্কেটার হায়ার করেন অথবা আপনি নিজে তৈরী করেন।

আপনার ভিজিটরকে আপনাকে দেখাতে হবে আপনি সব সময় সময়ের সাথে আপডেড আছেন এবং আপনি চারিদিকে কি ঘটছে সে বিষয়ে সম্যখ জ্ঞান রাখেন।

আমার ক্ষেত্রে একবার যদি আমার সাইটে র‍্যাংকিং শুরু হয়ে যায় তবে আমি একই রিলেটেড অন্য আরেকটি নিশ সাইটে কাজ করা শুরু করি। এবং একটা সাইটের সাথে অন্য সাইটের লিঙ্ক আপ করে দেই।

এখানে কিছু বিষয় শেয়ার করছি যেগুলো আপনার নিশ সাইটের জন্য কাজ করতে আপনাকে সুবিধা করবেঃ

  • ইমেল কালেক্ট করতে থাকুন। একবার আপনি যদি ইমেল কালেক্টিং বড় করতে পারেন তবে আপনি খুব সহজেই নতুন ডিজিটাল প্রডাক্টের ব্যাপারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌছাতে পারবেন।
  • একাধিক নিশ সাইট থাকলে একটা সাইটের সাথে অন্য সাইটের লিঙ্ক বিল্ডিং করুন। এতে গুগল র‍্যাংকিং এ কোন অসুবিধা হয় না। এবং আপনি অনেক ভিজিটর আপনার একটা সাইট থেকে অন্য সাইটে জেনারেট করতে পারবেন।
  • আপনার নিশ সাইট অনুযায়ী এর পাশাপাশি আরো একই ধরণের নিশ নিয়ে কাজ করুন।

এবার আপনার পালাঃ

এই আলোচনায় আমি আপনাকে কিভাবে একটি নিশ সাইট তৈরী করা যায় স্টেপ বাই স্টেপ বলার চেস্টা করেছি। এই সমস্থ জিনিস তখনোই সফলতার মুখ দেখবে যখন আপনি এইগুলিকে প্রাকটিক্যালি কাজে লাগাবেন।

অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি সময় উপযোগী ইনকামের পথ। কেউ যদি এই বিজনেসে একবার দাঁড়িয়ে যেতে পারে তাহলে তার পিছু টান থাকবে না।

তাহলে শুরু করে দেন আপনার অ্যামাজন নিশ মার্কেটিং…

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *