Home / ডিজিটাল মার্কেটিং / কন্টেন্ট মার্কেটিং / কিভাবে দুর্দান্ত ব্লগ কমেন্ট এর মাধ্যমে এসইও র‍্যাঙ্কিং এবং সাইটের ট্রাফিক আনবেন

কিভাবে দুর্দান্ত ব্লগ কমেন্ট এর মাধ্যমে এসইও র‍্যাঙ্কিং এবং সাইটের ট্রাফিক আনবেন

আজকে আমরা জানবো কিভাবে আপনি আপনার চমৎকার ব্লগ কমেন্ট করে আপনার সাইটের জন্য আরো বেশি ভিজিটর এবং সাইটের জন্য র‍্যাঙ্কিং আনা যায় সেই সম্পর্কে।

ব্লগ কমেন্ট কি আশা করি আমরা সবাই জানি।

আপনি যখনি কোন সাইটে একটা দুর্দান্ত পোস্ট দেখতে পান, তখনি আপনি সেই পোস্ট লিখককে ধন্যবাদ জানাতে চান কারণ তার পোস্টটি আপনার দারুন লেগেছে। আপনার ছোট্র কয়েকটি শব্দের ধন্যবাদ লেখককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় এবং আমরা ব্লগে মন্তব্য রেখে সহজেই তা করতে পারি।

আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না যখন মূল লেখক আপনার উৎসাহমুলক বা ধন্যবাদ স্বরুপ কমেন্টটা পড়ে সে কত খুশি হয়। এবং মনে মনে আপনার সাথে একটা দীর্ঘ সম্পর্ক গড়ে তোলে। আপনার কোন প্রশ্নের খুব দ্রুত সে উত্তর দেয়।আপনার কোন পরামর্শ থাকলে সেগুলোকে সে অত্যন্ত গুরত্বসহকারে পড়ে এবং আলোচনায় অংশ নেয়।

আপনি কি জানেন এই ব্লগ কমেন্ট করে আপনার সাইটের জন্য কোয়ালিটি ট্র্যাফিক আনা সম্ভব?

ব্লগ কমেন্ট, ব্লগ কমেন্টের সেরা উপায়, এসইও এর জন্য ব্লগ কমেন্ট , ট্র্যাফিক বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্ট

লক্ষ্য করুন আমি কিন্তু বলেছি কোয়ালিটি ট্র্যাফিক। অর্থাৎ যেই ট্র্যাফিক শুধু কোয়ালিটি ভিজিটরই আনবে তা নয়। এটার একটা স্থায়িত্ব রয়েছে। এবং সার্চ ইঞ্জিনগুলো এই ধরনের ব্লগ কমেন্টগুলোকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়।যা একটি সাইটের র‍্যাংকিং এ অনেক ভুমিকা রাখে । যেমন গুগল র‍্যাংকিং

তো চলুন কোয়ালিট ব্লগ কমেন্টের সমস্থ বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা যাকঃ

ব্লগ কমেন্টিং কি এসইও র‍্যাংকিং করে?

কিছু লোক কিছু লোক বলে যে ব্লগ কমেন্ট করে এখন আর এসইও র‍্যাংকিং করা যায় না। বিশ্বাস করুন, হয় তারা মিথ্যা বলছে অথবা তারা এখনো সঠিকভাবে ব্লগ কমেন্ট করতে পারে নি।

আপনার সাইটের জন্য ব্লগ কমেন্ট কতটা র‍্যাংকিং করে চাইলে ইংরেজির এই ব্লগ থেকে জেনে নিতে পারেন।

আপ্নারা মাঝারি প্রতিযোগীতার জন্য টপ লেবেল ওয়েবসাইটে এই সমীক্ষা চালাতে পারেন। এ জন্য আপনারা OPenSiteExplorer অথবা Ahrefs ব্যবহার করে সাইটের ব্যাকলিঙ্ক প্রফাইল যাচাই করতে পারেন। আপনারা দেখবেন অনেক ব্যাকলিঙ্ক বিভিন্ন ব্লগ কমেন্ট থেকে এসেছে।

 

আপনি সাইটের জন্য বিশাল ট্র্যাফিক আনতে পারেনঃ

আজ্ঞে হ্যাঁ, ব্লগ কমেন্ট আপনার সাইটের জন্য বিশাল ট্র্যাফিক আনতে পারে। আপনি যদি আপনার টপিকের সাথে মিল আছে এমন র‍্যাঙ্কিং করা পোস্টে ব্লগ কমেন্ট করতে পারেন তাহলে আপনার সাইটের জন্য সেটা কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী হবে।

দেখুন হিসাব খুব সহজ, যখন আপনি কোন পোস্ট পড়েন আর কমেন্টে যখন একি বিষয়ের ভিন্ন কোন টপিকের উপর অন্য আরেকটা লিঙ্ক পান তাহলে আপনি যদি সেই বিষয়ে জানতে চান তাহলে সেই লিংক ফলো করবেন কি’না? এই একই উপায়ে আপনি যদি একটি র‍্যাংকিং করা সাইটের পোস্টে সেই পোস্ট রিলেটেড ব্লগ কমেন্ট করে আপনার সাইটের অনুরুপ সম্পর্কীত লিঙ্ক দেন তাহলে ভিজিটর আপনার সাইটে অবশ্যই আসবে।

অধিকাংশ সময় হয় কি – যেখানে আমরা ব্লগ কমেন্ট করছি সেই সাইটের টপিকের সাথে আমাদের লিঙ্ককৃত টপিকের কোন মিল থাকে না। ফলে যদিও একটা দুইটা ভিজিটর আসেও তাহলে তারা যখন ভিন্ন আরেকটি বিষয় দেখে তখন আবার আগের সাইটে ব্যাক করে। সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট যেমন গুগল এই সমস্থ রেকর্ড সংরক্ষণ করে আপনার ঐ লিঙ্ক স্প্যামিং ধরে নেয় ফলে আপনার সাইটের অন্য ঐ লিঙ্ক আর কোন কাজে দেয় না।

এবার একটু ভিন্নভাবে বিষয়টি দেখা যাক। পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে একটা ব্লগ কমেন্ট করে আপনার সাইটের একই বিষয় সম্পর্কীত আরেকটি লিঙ্ক দিলেন এবং পাঠকের মতামত আহবান করলেন। তাহলে একজন ভিজিটর সানন্দে আপনার সাইটে আসবে আর যথাযথ জিনিস পেলে সে খুশিই হবে । না’কি বলেন?

ব্লগ কমেন্টিং এ ব্যান্ড তৈরী করুনঃ

একটা ব্লগ কমেন্ট যথাযথ করতে পারলে সেটা একটা কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী হবে। বিষয়টা শুধু এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। একটা ব্লগ কমেন্ট আপনার জন্য একটা সুনামের হতে পারে। একটা নিশ সাইটের জন্য দীর্ঘস্থায়ী কার্যকর একটি ব্যাকলিঙ্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আপনাকে একটা লিঙ্ক দিচ্ছি কিভাবে যেখানে আপনি ব্লগ কমেন্ট করে কিভাবে আপনি আপনার সাইটের জন্য ব্যান্ড তৈরি করতে পারবেন সে সম্পর্কে। লিঙ্ক

দুর্দান্ত একটা ব্লগ কমেন্টিং করতে কি কি বিষয় মাথায় রাখবেন?

কোয়ালিট ব্লগ কমেন্টের সমস্থ বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা

আপনি ব্লগ কমেন্ট করবেন আপনার সাইটের ট্র্যাফিক বৃদ্ধি এবং সার্চ ইঞ্জিনে যাতে আপনার সাইটের র‍্যাংক ধরে সেই জন্য। এই জন্য ব্লগ কমেন্ট করার পূর্বে আপনাকে জানতে হবে ব্লগ কমেন্টে কি করবেন আর কি করবেন না। আপনাকে যেমন যে সাইটে ব্লগ কমেন্ট করতে চাইছেন সে তার বিষয় বস্তু সম্পর্কে জানতে হবে তেমনি যে আপনার গঠনমূলক কমেন্টে যে পোস্টের লিঙ্ক দিচ্ছেন সেটা বিষয়বস্তু মিল থাকতে হবে। যাতে একজন ভিজিটর আপনার লিঙ্ক ধরে আপনার সাইটে এসে হতাশ না হয়।

ঐ সাইটে অভার অল বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটু জেনে নিন এবং আপনার কমেন্ট করার সময় শুরুতেই ঐ পোস্টকারীকে অর্থাৎ ব্লগারকে ধন্যবাদ দিয়ে শুরু করবেন। তবে আপনি যদি একান্তই পোস্টকারীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপনে ব্যর্থ হন, তবে গালমন্দ বা ঘৃণিত বাক্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এক্ষেত্রে আপনার কমেন্ট করার প্রয়োজন নেই।

যদি কমেন্ট করতে আপনার বিশেষ অসুবিধা হয় তবে আপনি ঐ পোস্টের অন্য কমেন্ট গুলো চেক করতে পারেন, যদি এতেও আপনার বিশেষ সুবিধা না হয় তবে একই বিষয়ের অন্য সাইটে গিয়ে কিভাবে অন্যরা কমেন্ট করছে সে বিষয়ে ধারণা নিতে পারেন।

যতটা পারেন সহজ বিষয়ে কথা বলুন, যাতে আপনার মূল বক্তব্য সহজেই বুঝা যায়।যাতে করে যার উদ্দেশ্যে কমেন্টটি করছেন সে আপনার কমেন্ট পড়ে তৃপ্তি পায়।

মোট কথা হচ্ছে ধরুন একটা গুরুত্বপূর্ণ সভায় একজন বিশিষ্ট গণ্যমাণ্য মানুষ কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলছে। যিনি কথা বলছেন তিনি কথা শেষে আপনার মত বাকী সবার মতামত আশা করছেন । তাহলে এমন সভায় আপনি কি যা মুখে আসে সেটাই বলবেন নাকি ভেবে চিন্তে গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্ট নিয়ে কথা বলবেন?

অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে কথা বলবেন । কি তাই তো?

তদ্রুপ আপনি যখন কোন একটি সাইটে ব্লগ কমেন্ট করবেন সেটা অনেক গঠনমূলক হওয়া উচিৎ।

 

ব্লগ কমেন্টে আপনার আসল পরিচয় এবং নাম ব্যবহার করুনঃ

একজন সত্যিকারের মানুষের গুরুত্ব সব জায়গায় অতুলনীয়। এমনকি আপনি যদি সম্পূর্ণ একটি নতুন গ্রুপ ডিস্কাশনে যুক্ত হোনও তবুও আপনি যদি আপনার আসল নাম ব্যবহার করেন তবে গ্রুপের বাকী মেম্বাররা আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে এবং প্রয়োজনে আপনার সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করবে।

তাছাড়া আপনার সত্যিকারের পরিচয় ব্যবহার করার জন্য আপনাকে একজন স্প্যামারের থেকে অনেক আলাদা করে দেয়।

আপনার আসল নামের ব্যবহারের পরিবর্তে আপনি যদি কোন কি ওয়ার্ড ব্যবহার করে মন্তব্য করেন সেটা আপনার শুধু রিপুটেশনই নষ্ট করবে না। বরং একই সাথে ঐ সাইটে আপনার বেশি কমেন্ট থাকলে সেটাকে স্প্যামিং হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন গুলো আপনার সমস্থ কার্যবিধি পরিলক্ষণ করছে সব সময়। তাই যদি আপনি কমেন্ট করার সময় আপনার আসল পরিচয় ব্যবহার করে গঠনমূলক কমেন্ট করে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিয়ে আসেন সেটা যেমন আপনার জন্যেও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনে সহজ হবে তেমনি সেটা একটা কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্কও তৈরী হতে পারে।

তাই এরপর যখন আপনি ব্লগ কমেন্ট করতে শুরু করবেন তখন অবশ্যই আপনি আপনার আসল পরিচয় ব্যবহার করুন। আপনার সত্যিকারের পরিচয় আপনার ব্র্যান্ড তৈরীতে আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।

 

ব্লগ কমেন্ট করার আগে সাইটটি সম্পর্কে জেনে নিনঃ

যেই সাইটে আপনি ব্লগ কমেন্ট করতে যাচ্ছেন সম্ভাবত সেখানে যদি আপনি প্রথম বার হন তবে আপনার উচিৎ হবে আপনি আগে সেই সাইটটি সম্পর্কে জেনে নিন। এটার মানে এই নয় যে আপনি পুরো সাইটটির সব গুলো পোস্ট পড়ে ফেলেন ববং যে লেখকের পোস্টটি পড়ছেন সেই লেখকের আরো  কয়েকটি পোস্ট পড়তে পারেন। এতে করে আপনি সেই লেখকের মানসিকতা, তার লেখার স্টাইল এবং তার আগ্রেহের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সহজেই বুঝতে পারবেন। এর ফলে আপনি আপনার কোয়ালিটি সম্পন্ন গঠনমূলক পোস্ট করতে সুবিধা হবে।

 

অন্যদের ব্লগ কমেন্ট পড়ুনঃ

মানুষ দেখে দেখেই সব কিছু শিখে। তাই আপনি যদি একজন ভাল মানের ব্লগ কমেন্টর হতে চান তাহলে এই কমেন্ট করার ব্যাপারে আপনার প্রচুর জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

একজন ভাল বিশেষজ্ঞের ব্লগ কমেন্টার ভাল ব্লগ কমেন্ট পড়লে আপনি সংশ্লিষ্ট ব্লগ কমেন্টের উপর ভাল ধারণা পেতে পারেন।

আপনি যদি এই ব্লগ কমেন্ট এ নতুন হোন তাহলে এর কোন বিকল্প নেই। আপনি অন্যদের ব্লগ কমেন্ট পড়লে তাদের তাদের আগ্রহ, পোস্টকারীর উত্তর এবং সর্বোপরি তাঁরা কিভাবে তাদের মন্তব্য উপস্থাপন করছে সেই সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারবেন।

আপনি যত বেশি অন্যদের ব্লগ কমেন্ট পড়বেন তত বেশি আপনি গঠনমূলক ব্লগ কমেন্ট করতে পারবেন।

 

ব্লগ কমেন্টে ভিন্ন মতামত প্রদর্শন করুনঃ

আপনি যেখানে ব্লগ কমেন্ট করতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে আপনি আগে জেনে নিয়েছেন। এটা চমৎকার।

আপনি ব্লগ কমেন্ট করার আগে সেই লেখকের অন্যন্য পোস্টও পড়েন সেটা আরো চমৎকার।

তবে আমার অবিজ্ঞতা বলে প্রায়ই লোকে এমন কমেন্ট করে যার বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগেই অন্য কেউ কমেন্ট করেছে। এতে লোকে আপনার কমেন্ট অগ্রাহ্য করতে পারে। আপনার সম্পর্কে এমন ধারণা হতে পারে যে আপনি পোস্ট সম্পুর্ণ না পড়েই কমেন্ট করেছেন।

আমি এটা বলতে চাইছি না সবাই এমনটা করে। তবে আপনি যদি কোন জনপ্রিয় পোস্টের অনেকগুলো কমেন্ট ভাল ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন তবে বিষয়টি আপনিও মেনে নিবেন যে একই বিষয়ের উপর আগের মন্তব্য থাকা স্বত্বেও অনেকে আবার ঐ একই বিষয়ে মন্তব্য করে। তাই যথটা সম্ভব পোস্ট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই পোস্টের কমেন্টগুলোও পড়ে নিন এবং তারপর আপানার মন্তব্য প্রকাশ করুন।

 

কমেন্ট সংক্ষিপ্ত এবং গঠনমূলক করুনঃ

একটি বিষয়ের উপর আপনি যখন মন্তব্য করছেন তখন সেটার দৈর্ঘ্য কতটা হবে সেটা আপনার উপর নির্ভর করবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেটার দৈর্ঘ্য যাতে একটা টুইটের মত হয় অর্থাৎ ১৪০ টি অক্ষরের মধ্যে থাকলে সেটা ভাল হয়।

ব্লগ কমেন্ট যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ শব্দে হওয়া উচিৎ।

আপনি নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারেন স্বাধীনভাবে তবে সেটা যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত করুন এবং আপনি যদি মনে করেন যে পোস্টটি করা হয়েছে সেটার আরো বিস্তৃতি প্রয়োজন তবে আপনি আপনার নিজের ব্লগের লেখককে স্বাগত জানাতে পারেন।

পোস্ট কারী হয়তো আপনার লিংক ধরে আপনার পোস্টটি পড়ে তার লেখা সংশোধন করতে পারেন। এবং আপনার লিঙ্ক সংযুক্ত করতে পারেন।

তাই ব্লগ কমেন্টে এলোমেলো লিঙ্ক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

 

গতানুগতিক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুনঃ

“ওহ! এটি একটি দুর্দান্ত পোস্ট এবং আমি যে বিষয়টির সন্ধান করছিলাম সে বিষয়ে আপনার পোস্টটি পেয়ে আমি আনন্দিত”।

এই ধরণের গতানুগতিক ব্লগ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।

আপনি সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন এবং আপনার নিজ থেকে গঠনমূলক কিছু লিখুন সেটা অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।

অন্যথায় আপনি একজন স্প্যামার হিসেবে পরিগণিত হতে পারেন।

 

কথোপকথনে জড়িত হনঃ

আপনি যখন কোন কথোপকথনে অংশ নিবেন তখন সেটা আপনার জন্য দারুন ফলাফল দিবে। কথায় বলে

“আপনি যদি অন্য লোকদের কথা শুনেন, তবে তাঁরা আপনার কথা শুনবে”

ইন্টারেক্টিভ হোন। তাদের পয়েন্টগুলি বিবেচনায় রাখুন এবং আপনার পয়েন্টি তাদের কাছে পরিষ্কার করুন।

 

অতিরিক্ত লিঙ্ক এড়িয়ে চলুন

অনেকেই মন্তব্য জুড়ে দেওয়ার সময় একাধিক লিঙ্ক জুড়ে দেয় যা মোটেই শোভনীয় নয়। ব্লগ কমেন্ট অবশ্যই আপনি একটা নতুন কমিউনিটিতে যুক্ত হওয়া এবং একটা কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য করছেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে একটি লিঙ্ক আপনি একবারেই যুক্ত করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি আপনার ব্লগ কমেন্টে একটি মাত্র লিঙ্ক যুক্ত করুন। সেটা রেফারেন্স হিসেবে আপনার লিঙ্ক আপনি যুক্ত করতে পারেন।

 

পোস্টটির প্রচার নিয়ে মন্তব্য করুনঃ

আপনার ব্লগ কমেন্ট নজরে আনার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত আইডিয়া। আপনি যখন একটি ভাল মানের পোস্ট আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করছেন তখন সেখানের কোন মন্তব্যের সাথে এর মূল লেখককে ট্যাগ করতে পারেন। এর ফলে পরের বার যখন আপনি সেই ব্লগে মন্তব্য করবেন তখন আপনার কমেন্টটি একটা আলাদা দৃষ্টিতে দেখা হবে।

শেষ কথাঃ

ব্লগ কমেন্টের মাধ্যমে অন্যদের সাথে কথা বলার একটা আলাদা মজা আছে। সেটাকে একটা শুধু ব্যাকলিঙ্ক হিসেবে না দেখে একটা অন্তর্ভুক্ত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দেখতে পারেন।

গঠনমূলক ব্লগ কমেন্ট করুন, কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পান। কোন কিছু জানার থাকলে জানাতে পারেন , ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.