Home / ডিজিটাল মার্কেটিং / কন্টেন্ট মার্কেটিং / আর্টিকেল রাইটিং / হাই কোয়ালিটির আর্টিকেল রাইটিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন

হাই কোয়ালিটির আর্টিকেল রাইটিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন

আজকে আমরা আর্টিকেল রাইটিং এর বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যাতে করে আপনি কিভাবে একটি হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল লিখতে হয় সে বিষয়ে একটি পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন।

যারা ইংরেজিতে দক্ষ তাঁরা কনটেন্ট রাইটিং কে একটি পেশা হিসেবে নিতে পারেন।এটি অনেক সম্মান জনক একটি পেশা।যারা ব্লগিং করেন তাদের জন্য এর কোন বিকল্প নেই।

ব্লগিং এর প্রাণ হচ্ছে ভাল মানের কনটেন্ট। তাই কনটেন্ট রাইটিং ভাল ভাবে জানা ছাড়া আপনি ব্লগিং করতে পারবেন না।

তো চলুন শুরু করি।

শুরুতেই জেনে নিই কি কি থাকছে এই পোস্টে; সেটা জানতে এক পলকে এই পোস্টের বিষয় সূচী দেখে নিতে পারেনঃ

পোস্টের বিষয় সূচীঃ

আর্টিকেল রাইটিং কত ধরনের?

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে আর্টিকেল রাইটিং কত ধরণের বা কত প্রকার আর্টিকেল রাইটিং আছে।

# আর্টিকেল রাইটিং মুলত ২ প্রকারঃ

  • New Write Article
    • Specialist Niche Writer
    • Organized Knowledgeable Writer
  • Re-Write Article

New Write Article:

সম্পূর্ণ নিজে থেকেই যে আর্টিকেল লিখা হয় সেটা নিউ রাইট আর্টিকেল। আপনি নিজে যা জানেন, সেটার উপর বেজ করে যখন আপনি লিখবেন সেটা একটি ইউনিক নিউ রাইট আর্টিকেল হবে।

মূলত ব্লগিং করতে হলে আপনাকে সব সময় ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। আপনি আপনার ক্লায়েন্টের জন্যেই লিখেন আর এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য কিংবা গুগল এডসেন্স ইউনিক কনটেন্ট এর কোন বিকল্প নেই।

স্পেশালিষ্ট নিশ রাইটারঃ

নিউ আর্টিকেল রাইটারদের মধ্যে কিছু মানুষ আছেন যারা বিভিন্ন বিষয়ে স্পেশালিষ্ট। তাঁরা নিজে থেকেই একটা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চমৎকার করে লিখতে পারেন।

 Knowledgeable Writer:

যাদের মোটামুটি একটা বিষয় সম্পর্কে ভাল ধারণা আছে এবং লিখার প্রয়োজনে বিভিন্ন সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারপর নিজের মত করে লিখতে পারে তাঁরা এই পর্যায়ে পড়ে। এতে করে আর্টিকেলটি ইউনিক হয়। এক্ষেত্রে অনেকগুলি রিসোর্চ উল্লেখ করতে হয়।

Re-Write Article:

যে বিষয়টা নিয়ে আগে কেউ লিখেছেন সেই একই বিষয় নিয়ে ভিন্ন ভাবে লিখা বা একই ক্যাটাগরির কয়েকটি আর্টিকেল থেকে মূল পয়েন্টগুলি নিয়ে নিজের মত করে সাজিয়ে লিখার আর্টিকেলগুলি এই পর্যায়ে পড়ে।

রি-রাইটিং আর্টিকেল নিয়ে কয়েকটি মতবাদ আছেঃ

কেউ বলে, কয়েকটি আর্টিকেল থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলিকে নিয়ে নিজের মত  করে সাজিয়ে লিখাই হচ্ছে রি-রাইটিং আর্টিকেল রাইটিং।

আরেকটি মতবাদ হচ্ছে অন্যজনের একটি আর্টিকেলকে নিজের মত করে কিছু যোগ বিযোগ করে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখা।

তবে আমার মতে রি রাইটিং আর্টিকেল হচ্ছে যে কনসেপ্ট নিয়ে আগেই একটি পোস্ট করা হয়েছে সেই একই বিষয়কে যদি আপনি ফোকাস করে অনুরুপ একটি আর্টিকেল লিখেন সেটা হবে রি-রাইটিং আর্টিকেল। এক্ষেত্রে লিখা আর্টিকেলটি কপি হবে না। একটা সিনেমা দেখে দুইজনকেই যদি রিভিও লিখতে বলা হয় সেটা কখনোই এক রকম হবে না।

যারা আর্টিকেল রাইটিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাচ্ছেন তাঁরা নিউ আর্টিকেল রাইটিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন। এবং এই ক্ষেত্রে যদি ভাল হবে যদি আপনি নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের উপরে স্পেশালিষ্ট হবেন। যদিও এটা একটি কন্টিনিউয়াল প্রসেস, তাই একদিনে এটা হবে না। আস্তে আস্তে আপনি কোন একটি বিষয়ের উপর রিসার্স করে লিখতে লিখতে সেই বিষয়ের উপর স্পেশালিষ্ট হয়ে উঠবেন। এটার প্রসেসগুলি আপনাকে এই পোস্টের মধ্যেই সংযুক্ত করবো ইনশাল্লাহ।

ক্যারিয়ার হিসেবে আর্টিকেল রাইটিং:

আর্টিকেল রাইটিং কে আপনি যদি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাহলে আপনার উচিৎ হবে একটি টার্গেট বা গোল সেট করে নেওয়া।

 প্রথমেই নিশ সিলেক্ট করতে হবেঃ

আপনার উচিৎ হবে নির্দিষ্ট কোন নিশ নিয়ে আর্টিকেল রাইটিং শুরু করা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে নিশ কি?

সহজভাবে বলতে চাইলে নিশ হচ্ছে একটা টপিক। আরো সহজভাবে বলতে গেলে, কোন আলোচনার মূল বিষয়বস্তুর নামই হচ্ছে নিশ। যেমন হেলথ কিংবা ওয়েট লস,স্মার্টফোন, স্মার্ট ওয়াচ ইত্যাদি।

যেমন যে পোস্টই আপনি পড়ছেন সেটা মূল কীওয়ার্ড হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং। এই বিষয়ের শুরু থেকে শেষ অবধি প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি বিষয় এখানে আলোচনা করার চেস্টা করা হবে। এটা একটি নিশ। আবার এই সাইটের মূল নিশ হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। অর্থাৎ এখানকার যাবতীয় বিষয়গুলি ডিজিটাল মার্কেটিং কে কেন্দ্র করেই হবে।

যাই হোক নিশ হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট টপিক। যেই বিষয়ে আপনি লিখতে চান। জানতে চান, জানাতে চান।

আর্টকেল রাইটিং এর জন্য আপকে প্রথমেই নির্দিষ্ট কিছু নিশ বেঁছে নিতে হবে।

আপনার যে বিষয়ের উপর সব থেকে বেশি আগ্রহ সেই বিষয়ের উপর আপনি নিশ বেঁছে নিবেন।

আপনি ভাবুন আপনার কোন বিষয় নিয়ে লিখতে ভাল লাগবে। প্রযুক্তি, টিউটোরিয়াল, হেলথ, রিভিও নাকি কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর টিপস। সোজা কথায় আপনি আপনার লিখার বিষয়বস্তু পছন্দ করে নিন। সেই বিষয়ের উপরই আপনি পরবর্তিতে দক্ষ হয়ে উঠবেন।

আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট নিশ পছন্দ করে নেন তাহলে আপনি কনটেন্ট রাইটিং এ আরো সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন।

একটি বিষয় পরামর্শঃ

নতুনদের জন্য আমার পরামর্শকৃত ২টি নিশ হচ্ছেঃ

  • টেকনিক্যাল বিষয়ের নিশ
  • প্রডাক্ট বিষয়ের নিশ

## সতর্কতাঃ

আপনি যদি একদম নতুন রাইটার হন তাহলে কোন জটিল বিষয় নিয়ে লিখতে যাবেন না। যেমন Financial Niche ইত্যাদি। যতটা সম্ভব সহজ কোন নিশ নিয়ে কাজ করুন। লিখতে থাকুন, আর জানতে থাকুন। আস্তে আস্তে সামনের দিকে আরো এগুতে পারবেন।

 

 আর্টিকেল রাইটিং এর স্টেপসমূহঃ

  • স্টেপ একঃ কীওয়ার্ড সিলেকশনঃ
  • স্টেপ দুইঃ কীওয়ার্ড ভিত্তিক নজেল সংগ্রহ
  • স্টেপ তিনঃ আর্টিকেলের টপিক বিভাজন
  • স্টেপ চারঃ আর্টিকেল লিখা শুরুঃ

 

স্টেপ ওয়ানঃ কীওয়ার্ড সিলেকশনঃ

প্রথম স্টেপ হচ্ছে কীওয়ার্ড সিলেকশন করা। যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সে বিষয়ের কীওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হবে। আপনি যদি নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল লিখেন তাহলে কীওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে কীওয়ার্ড সিলেকশন করতে পারেন।আর যদি ক্লায়েন্ট আপনাকে লিখতে বলে তাহলে উনিই আপনাকে কীওয়ার্ড দিয়ে দিবে। এই কীওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করেই আপনাকে পুরো আর্টিকেল লিখতে হবে। তাহলে এখন একটা প্রশ্ন আসবেই কীওয়ার্ড কি সেটা নিয়ে।

কীওয়ার্ড কি?

কীওয়ার্ড কি সেটা সম্পর্কে একটু খানি জানার চেস্টা করি। Keyword মূলত ২টি শব্দ নিয়ে গঠিত। একটি হচ্ছে key  মানে চাবি Word শব্দ। তাহলে Keyword মানে হলো মূল শব্দ।

একটি আর্টিকেলের যে মূল শব্দ এটিই হচ্ছে কীওয়ার্ড। কীওয়ার্ড একটি শব্দেও হতে পারে অথবা হতে পারে কয়েকটি শব্দে একটি বাক্য। যেমন Smart Phone এটি একটি এক শব্দের কীওয়ার্ড আবার The Best Smartphone 2020 এটিও একটি কীওয়ার্ড।

অতএব, দেখা যাচ্ছে কীওয়ার্ড একটি শব্দেও হতে পারে অথবা কয়েকটি শব্দের সমন্বয়য়েও হতে পারে।

একটি আর্টিকেলে একটি ফোকাসিং কীওয়ার্ড সেট করতে হবে। বেস্ট কীওয়ার্ড যেটাকে বলা হয়।

Additional Keywords সেট করুন কমপক্ষে ১০টি

যে ফোকাসিং কীওয়ার্ডটি সেট করা হলো তার সাথে সামজস্য রেখে আরো কমপক্ষে ১০ টি কীওয়ার্ড সেট করতে পারেন। তবে ১৫টির বেশি কখনো যাবেন না। তাহলে keyword Stuffing হতে পারে।

 

## নোটঃ

কীওয়ার্ড সিলেকশনের জন্য আপনাকে কীওয়ার্ড রিসার্চ করা জানতে হবে। আসলে একজন আর্টিকেল রাইটার হিসেবে আপনাকে কীওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানা উচিৎ। এটি জানলে আপনি সহজেই কীওয়ার্ড সিলেকশন করতে পারবেন।

কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জনপ্রিয় টুলসগুলিঃ

  • Google Keyword Planner
  • Ubersuggest
  • Long Tail Pro
  • Moz Keyword Explorer
  • Ahrefs Keywords Explorer

এছাড়াও কিছু এসইও এক্সটেনশন ব্যবহার করে বিভিন্ন কীওয়ার্ড সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন যেমন “Keyword Everywhere Chrome Extension”

স্টেপ দুইঃ কীওয়ার্ড সম্পর্কে নজেল অর্জনঃ

আপনি যে বিষয় নিয়ে হয়তো জানেন সেই বিষয়ের সব খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনি ভাল জানবেন এমন কোন কথা নেই। কিন্তু আপনাকে আর্টিকেলটি তথ্যবহুল করতে হবে। এইজন্য আপনি যদি স্পেশালিষ্ট নিশ রাইটার না হন তবে আপনাকে সিলেকটেড কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিভিন্ন সোর্স থেকে নজেল নিতে হবে। এতে করে আপনি সেই বিষয় নিয়ে অনেক তথ্য পাবেন।অনেক স্পেশালিষ্টদের আর্টিকেল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডাটা আপনি আপনার আর্টিকেলে প্রকাশ করতে পারবেন।

বিশেষ করে আপনি যদি সেই নিশ কীওয়ার্ড এর উপর স্পেশালিষ্ট না হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে গুগলে বা অন্য কোন সোর্স থেকে Knowledge Gather করতে হবে।

সেই নজেল থেকে মুলত আপনি সেই কীওয়ার্ড টাকে বেজ করে মূলত আর্টিকেলটি লিখবেন। আপনি নিজেই আগে ইন্টারনেট বা অন্য কোন সোর্স থেকে সেই বিষয়ে স্টাডি করে শিখবেন তারপর সেই বিষয়ে লিখবেন।

 

স্টেপ তিনঃ আর্টিকেলের টপিকগুলি সাজিয়ে নিনঃ

আর্টিকেল লিখার জন্য আপনাকে প্রত্যেকটি সেকশনকে আলাদা আলাদা করে ভাগ করে নিতে হবে। আপনার আর্টিকেলে কি কি পয়েন্ট থাকবে সেটা আগে ভাগ করে নিতে হবে। তারপর স্টেপ বাই স্টেপ পয়েন্ট ধরে ধরে বর্ণনা করে ক্লিয়ার করে দিতে হবে।

স্টেপ ৩ টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অনেকটা আপনার আর্টিকেলের সামারি লিখার মত। প্রথমে মূল পয়েন্ট গুলো লিখে ফেলতে পারলে পরে খুব সহজেই সেই বিষয়গুলি লিখে বিস্তারিত লিখতে সুবিধা হবে। তাছাড়া এই ভাবে লিখলে মূল বিষয়বস্তু বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না

আর্টিকেলের যে কয়েকটি সেকশন আছে সেগুলোকে আগে আপনাকে ভাগ করে নিতে হবে। এতে করে আপনি খুব সহজেই একটি হাই কোয়ালিটির আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

একটি আর্টিকেলে কি কি সেকশন আছে চলুন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

  • Title
  • Introduction
  • Description
  • Sub Heading 2 <H2> (It must)
  • Sub Heading 3 <H3> (If Needed)
  • Sub Heading 4 <H4> (If Needed>
  • Pros & Cons (For Product base Article)
  • Features
  • Image
  • Conclusion

Title:

একটি পোস্ট একজন ভিজিটর পড়বে কি’না সেটা অনেকটা নির্ভর করে সেই পোস্টের টাইটেলের উপর।একটা ভাল টাইটেল আপনার আর্টিকেলের ভিজিটর অনেকগুনে বাড়িয়ে দিবে।

একটা ভাল মানের টাইটেলের জন্য আপনাকে অনেকখানি সময় দিয়ে লিখতে হবে।

টাইটেল এর মাঝে অবশ্যই আপনার কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।

Introduction:

প্রথম ২/৩ টি লাইন খুব আকর্ষণীয় করে কিছু একটা লিখুন যাতে করে ভিজিটর বা আপনার ক্লায়েন্ট আপনার পুরো লিখাটা পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠে।

পোস্টের টাইটেল দেখে একজন ভিজিটর তো আসলো এরপর কি ঘটবে?

আপনার ইন্ট্রো দেখবে এতেই সে বুঝে যাবে এই পোস্টটি সে পড়বে কি’না। এইজন্যে আপনি ইন্ট্রো বা পোস্টের সূচনা খুব চমৎকার করে লিখবেন। পোস্টটি লিখা শেষ করার পর আপনি সবার শেষে সূচনা লিখবেন। এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত এখানে বলেছি।

Description

ডেস্ক্রিপশন বা বর্ণনা। আপনি মূলত কি বলতে চান সেটা এখান থেকেই শুরু। আপনি যখন আর্টিকেল লিখবেন তখন এখান থেকেই শুরু করবেন। আপনার পোস্টের বিষয়বস্তু ধারাবাহিকভাবে লিখা শুরু করতে পারেন এখান থেকেই।

Sub Heading 2 <H2> (It must)

আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে সাব হেডিং ব্যবহার খুব জরুরী। আপনার প্রতিটি আর্টিকেলে অবশ্যই সাব হেডিং থাকতে হবে।আর্টিকেল যতই ছোট হোক একটা H2  Sub Heading তো অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

Sub Heading 3 <H3> (If Needed)

সাধারণত ৬০০ শব্দের বেশি আর্টিকেল হলে H3 Sub Heading চলে আসে।

Sub Heading 4 <H4> (If Needed)

আর্টিকেল বড় হলে h3 sub Heading ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে। ১৫০০ শব্দের বেশি হলে H4 Heading চলে আসে। এই আর্টিকেলের H3 H4 Sub Heading গুলী দেখতে চাইলে পোস্টের সূচিপত্র দেখতে পারেন।

Pros & Cons (For Product base Article)

আপনি যদি কোন প্রডাক্ট নিয়ে লিখেন তাহলে Pros & Cons অবশ্যই উল্লেখ করবেন। প্রডাক্টের সুবিধা অসুবিধা আর কি। যাতে আপনি সেই প্রডাক্ট নিয়ে সহজেই কাস্টমারকে একটা রিভিও দিতে পারেন।আমাজন নিশ সাইটের জন্য এই প্রোস এন্ড কন্স ব্যবহার করলে সেটা আর্টিকেলের মান অনেকগুনে বাড়িয়ে তুলে।

Pros & Cons সব সময় টেবিল আকারে তুলে ধরলে Customer Readability বৃদ্ধি পায়।

Features

আপনার পোস্টের মধ্যে যদি কোন ফিচার থাকে তাহলে সেটার আলাদা করে উল্লেখ করুন।

Media (Image / Videos)

আর্টিকেল বড় হলে অবশ্যই সেখানে পোস্টের বিষয় অনুযায়ী মিডিয়া ব্যবহার করুন। ইমেজ ব্যবহার করুন। প্রয়োজন হলে বিভিন্ন রেফারেন্সের ভিডিও লিংক করে দিতে পারেন।

পোস্টে যদি আপনি ইমেজ ব্যবহার করেন সেটা আপনার আর্টিকেলকে একটা প্রফেশনাল লুক দিবে।

Conclusion

সব ভাল যার শেষ ভাল। আপনার আর্টিকেল পড়ে শেষ কি কথা আপনি বললেন সেটাই ভিজিটরের অনেক্ষণ মনে থাকবে। তাই এই অংশে মনোযোগ দিন।

 

স্টেপ চারঃ আর্টিকেল লিখা শুরুঃ

আর্টিকেলের বিভিন্ন সেকশনগুলি সম্পর্কে যদি আপনি জেনে থাকেন এবং যদি আপনি আগের স্টেপগুলি ঠিকমত ফলো করেন তাহলে আমি আশা করছি আপনার একটি আর্টিকেল লিখা শুরু করতে পারবেন।

প্রথম অবস্থায় এটা সহজ হবে না। তবে লিখতে থাকুন, শিখতে থাকুন, ধীরে ধীরে আপনার লিখা আরো উন্নত হতে থাকবে।

আর্টিকেল লিখা একটি কনটিনিউয়াল প্রসেস। এটা একদিনে হবে না। সময় দিন, এটা অসম্ভব কিছু নয়।

আর্টিকেল লিখার আগে সেই সিলেক্টেড কীওয়ার্ড নিয়ে গুগলে আগে একটু সার্চ করবেন সেখান থেকে টপ ৫/১০ টা পোস্ট পড়বেন। এতে করে আপনি কীওয়ার্ড সম্পর্কে একটু ধারণা পাবেন তারথেকেও অনেক বেশি আপনি কিভাবে লিখলে গুগলে টপ র‍্যাংকিং এ আসা যায় সেই সম্পর্কেও ধারণা পাবেন। লিখার মধ্যে কোন কোন পয়েন্ট হাই লাইট করা হয়েছে, কোথায় H2, H3 ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে সেই বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এতে করে আপনি খুব সহজেই সেই সব আর্টিকেলের থেকেও ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারবেন

 

 

##নোটঃ আর্টিকেল লিখার সময় আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনি Description সেকশন থেকে লিখা শুরু করবেন। এর কারণ ট হচ্ছে – আপনি যখন ডিস্ক্রিপশন সেকশন থেকে বাকী অংশ লিখা শেষ করবেন তখন আপনি এই সমস্থ কিছুর উপর বেজ করে সুচনা বা Introduction সেকশনটা খুব সহজেই লিখতে পারবেন।

 

## সতর্কতাঃ আপনি যখন কোন আর্টিকেল লিখবেন তখন অবশ্যই গ্রামাটিক্যালি মিস্টেক, স্পেলিং মিস্টেক যেন না হয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন। খুব ভাল আর্টিকেল হলেও সেখানে যদি এই সমস্থ ছোট ছোট মিস্টেক পাওয়া যায় তাহলে সেটা কনটেন্ট রাইটারের যোগ্যতা নিয়ে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসিয়ে দেয়।

ফ্রিতে আপনি smallSEOTools ব্যবহার করতে পারেন। অথবা আপনি বিভিন্ন গ্রামাটিক্যালি টুলস যেমন Grammarly, ginger Software ইত্যাদিও ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু যেটাই করেন না কেন শতভাগ গ্রামাটিক্যালি মিস্টেক, স্পেলিং মিস্টেক দূর করবেন।

 

## বিশেষ পরামর্শঃ অনপেজ এসইও টেকনিকটা একটু শিখে নেন। আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য যদি আপনি অনপেজ এসইও টেকনিক ব্যবহার করেন তাহলে সেটা আপনার আর্টিকেলের কোয়ালিটি অনেকগুন বাড়িয়ে দিবে।

প্রত্যেক আর্টিকেলে অনপেজ এসইওটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ থাকে। আপনি নিজের জন্যই লিখেন বা ক্লায়েন্টের জন্যে তিনি যখন এটি কোন ওয়বসাইটে প্রকাশ করবেন তখন এটি অনপেজ এসইও টেকনিক ফলো করে আর্টিকেল লিখলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো সেটা এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল হিসেবে গ্রহণ করবে এবং সার্চ ট্র্যাফিক অনেকগুনে বেড়ে যাবে সেই সাথে আপনার আর্টিকেলের গুনগুত মানও অনেকগুনে বেড়ে যাবে।

আপনি এতক্ষণে আর্টিকেল লিখার জন্য যতটুকু জ্ঞান দরকার সেটা পেয়ে গেছেন। চাইলে আপনি নিজেই এখন একটি কোয়ালিটি আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

কিন্তু আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে এডভান্স লেভেলের কনটেন্ট রাইটাররা আরো কিছু বেসিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক ফলো করে। নিচে আমি সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা করেছি। যেহেতু আপনি একজন ভাল মানের আর্টিকেল রাইটার হতে চাইছেন তাই আপনার এই বিষয়গুলিও জানা উচিৎ।

আর্টিকেলের Quality & Readability যাচাইঃ

কোয়ালিটি টেস্টঃ

Word Count করুনঃ

যে আর্টীকেল আপনি লিখতে চাচ্ছেন সেটার মিনিমাম কত শব্দের হবে সেটা গুরুওপূর্ণ। কোন ভাবেই ৫০০-৬০০ শব্দের নিচে হওয়া যাবে না। ১০০০/২০০০ বা এর বেশি হলে আরো ভাল হয়। আর্টিকেল বড় হলে সেটা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক সহজেই র‍্যাংকিং করানো যায়।

টাইটেল নির্বাচনঃ

টাইটেল নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটু সময় নিবেন। সবথেকে ভাল এবং আকর্ষণীয় টাইটেল একটা পোস্টের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

টাইটেল যেন অবশ্যই ৬৫টি অক্ষরের মধ্যেই থাকে। টাইটেলে ৬৫ অক্ষরের বেশি ব্যবহার করলে সেটা এসইও এর জন্য নেগেটিভ প্রভাব পড়ে।

প্রথম প্যারাগ্রাফেই কীওয়ার্ডঃ

যেকোন আর্টিকেলের জন্য ইন্ট্রডাকশনে যে প্যারাগ্রাফ লিখবেন চেস্টা করবেন প্রথম প্যারাগ্রাফেই যেন আপনার কীওয়ারররড ব্যবহার হয়। এটি একটি এসইও এর টার্ম সুতারাং ফোকাসিং কীওয়ার্ড বা বেস্ট কীওয়ার্ড প্রথম প্যারাগ্রাফেই ব্যবহার করুন।

সাব হেডিং অথবা সাব টাইটেল ব্যবহারঃ

প্রথম  প্যারাগ্রাফের পরেই আপনাকে একটি সাব হেডিং বা সাব টাইটেল ব্যবহার করলে ভাল হবে। এটাকে H2 ট্যাগ বলে।

কপি স্কোর কমপক্ষে ৭০ হতে হবেঃ

আপনি যে আর্টিকেলটি লিখবেন সেটার কপি স্কোর কমপক্ষে ৭০ হতে হবে। কপি স্কোর হচ্ছে মূলত Flesch Reading Ease Test অর্থাৎ এটি একটি টার্ম যার মাধ্যমে একটি আর্টিকেল কত সহজেই মানুষ পড়তে পারছে।

যেমন একটি পোস্ট সব বয়সী মানুষজন একই রকম করে পড়তে পারবে না। কিন্তু এভারেজ স্কোরে কমপক্ষে ৭০ এর উপর থাকলে সেটা একটি ভাল মানের আর্টিকেল বলা যায়।

বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কঠিন শব্দ এড়িয়ে চলুন কপি স্কোর রেট বেড়ে যাবে।

কীওয়ার্ড ডেনসিটি ২.৩% এর বেশি নয়ঃ

মোট আর্কেলের ২.৩% এর বেশি মূল কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। আপনার আর্টিকেলের যে কীওয়ার্ড সেটা বেশি ব্যবহার করলে কীওয়ার্ড স্টার্ফিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ এর ফলে গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনগুলি মনে করে আপনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে আর্টিকেলে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন।

আর্টিকেল কমপক্ষে ৯০% -১০০% ইউনিক করার চেস্টা করুনঃ

আর্টিকেলে রাইটিং এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার আর্টিকেল কতখানি ইউনিক। যারা আর্টিকেল লিখান তাঁরা বলেন কমপক্ষে ৯০% এর উপর আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে। সব সময় হয়তো ১০০% ইউনিক নাও হতে পারে। তবে ৯০% এর উপরে থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায়।

আপনার আর্টিকেল যদি ৯০% এর উপর ইউনিক হয় তাহলে আপনি COPYscape এর মাধ্যমে দেখে নিতে পারেন আপনার আর্টিকেলের কোন অংশটি ডুপ্লিকেট ধরেছে। এরপর আপনি সহজেই সেই অংশটুকু পরিবর্তন করে সেটাকে একটি ১০০% ইউনিক আর্টিকেলে পরিণত করতে পারেন।

Plagiarism Checker Tools:

Dupli Checker:

PaperRater

CopyLaks

Plaggiasim Checker

 

Readability Test:

যে আর্টিকেলটি লিখা হলো সেটা পড়ার ক্ষেত্রে কতটুকু ভাল হলো সেটার মাপকাঠি। কিভাবে এটি করবেন?

সাবহেডিং এর মিনিমাম ব্যবহারঃ

  • যদি আর্টিকেল ছোট হয় বা ৩০০ শব্দের হয় তাহলে মিনিমাম ১টি সাবহেডিং ব্যবহার করতে হবে।
  • যদি ৬০০ শব্দের বেশি হয় তাহলে কমপক্ষে ২টি সাবহেডিং তার তারো বেশি ব্যবহার করতে পারেন।
  • আপনার আর্টিকেল যদি ৬০০ শব্দের বেশি হয় তাহলে বেশ কয়েকটি সাব হেডিং অটো চলে আসার কথা।

কোন প্যারাগ্রাফ বেশি বড় করবেন নাঃ

আপনার প্যারাগ্রাফগুলিকে ছোট ছোট অনুচ্ছেদে ভাগ করে নিন। কোন প্যারাগ্রাফেই বেশি বড় করার প্রয়োজন নেই। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লাইন ব্যবহার করে একটি প্যারাগ্রাফ তৈরী করে নিতে পারেন। এতে করে ভিজিটরদের পড়তে সুবিধা হবে। মোবাইল ডিভাইজগুলিতে এই প্যারাগ্রাফ গুলি পড়ার সময় বেশি সুবিধা হয়। কোন বিষয় নিয়ে প্যারাগ্রাফ বেশি বড় হলে সেটা স্কিপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনি এই পোস্টের বিভিন্ন পয়েন্টের প্যারাগ্রাফগুলি খেয়াল করতে পারেন।

একটি বাক্যে ২০টির বেশি শব্দ নয়ঃ

আমরা যখন আর্টিকেল লিখি, এর মধ্যে একটি বাক্যে ৭টি, ১০টি বা ২০টি শব্দও থাকতে পারে। লম্বা লম্বা বাক্যগুলি, যেমন একটি বাক্যের মধ্যেই ২০টির বেশি শব্দ আছে এমন বাক্য যেন খুব বেশি না হয়। এতে করে পোস্টের রিডাবিলিটি নষ্ট হয়।

খেয়াল রাখবেন ২০% এর বেশি হলে সমস্যাটা হচ্ছে আপনি হয়তো যে কথাটা বলতে চাচ্ছেন সেটার অর্থটা পালটে যেতে পারে। তাছাড়া এই ধরনের বড় বড় বাক্য সার্চ ট্র্যাফিক ভাল হয় না।

Passive Voice ১০% এর বেশি নয়ঃ

আপনার আর্টিকেল সব সময় একটিভ ভয়েজ এ লিখতে থাকুন। তবে প্যাসিভ ভয়েস বেশি ব্যবহার করলে সেটা এসইওতে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না তবে এতে করে কাস্টমার রিডাবিলিটি নষ্ট হতে পারে।

আর্টিকেল রাইটিং এ ব্যর্থতার কারণগুলি কি কি?

  • সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে ইংলিশ জ্ঞানের অভাব। যার ফলে আমরা একটি ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারি না। আপনি বাংলায় লিখুন, লিখার প্র্যাকটিস করুন, ইংলিশ ব্লগ পড়ুন, ইংলিশ উন্নতি করুন, ধীরে ধীরে ইংলিশ আর্টিকেল লিখার চেস্টা করুন।
  • ইংরেজি গ্রামার মিস্টেক, স্পেলিং মিস্টেক ইত্যাদির অভাবে আমরা ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারি না। হয়তো আমরা লিখতে পারছি কিন্তু প্রতি সময় বানান, গ্রামার যদি চেক করতে থাকি তাহলে আসলে আর লিখা হয়ে উঠবে না।লিখলেও প্রচুর সময় লাগবে।
  • আমার মতে আর্টিকেল রাইটিং এ ব্য র্থতার আরেকটি কারণ হচ্ছে আমরা জ্ঞান অর্জন করতে চাই না। যে বিষয় নিয়ে লিখছি সে বিষয়ে আমরা স্টাডি করতে চাই না। যা মনে আসছে তাই লিখি। স্পেশালিষ্টরাও নিত্যনতুন আপডেডগুলি জানার জন্য বিভিন্ন ব্লগ, আর্টিকেল সব সময় পড়ে তথ্য আরোহণ করে। এতে করে তাঁরা যখন একটি আর্টিকেল লিখে সেটা হাই কোয়ালিটির আর্টিকেল তৈরী হয়।।
  • অনেকেই বিভিন্ন শর্টকার্ট পদ্ধতি ফলো করে। কপি, পেস্ট করে আর্টিকেল পাবলিশ করে কোন লাভ নেই। আপনি যখন একটি পোস্ট লিখছেন যিনি পড়ছেন তিনি হয়তো নাও বুঝতে পারে কিন্তু গুগলকে বুঝাবেন কি করে?
    আপনি এখনি একটি পোস্ট কপি করে সেটা কপি স্কেপ চেক করে দেখুন ঐ আর্টিকেল ইন্টারনেটের কোথায় কোথায় কপি করে পাবলিশ করা হয়েছে সেটা দেখিয়ে দিবে। ডেট টাইম সহ। সুতারাং পোস্ট কপি করার চিন্তা বাদ দিন।
    যা পারেন নিজে থেকেই লিখুন। বড় পোস্ট না পারলে ছোট ছোট পোস্ট লিখুন। একটা সময় আস্তে আস্তে উন্নতি হবে, কোন ব্যাপার না।
  • আর্টিকেল লিখার সময় তারাহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। রিলাক্স মুডে লিখুন। যা লিখবেন হৃদয় থেকে লিখবেন। আপনি ভিজিটর হলে কি চাইতেন সেটা মাথায় রেখে লিখুন। লিখার সময় কত শব্দ হলো, কয়টা হেডিং হলো ইত্যাদি খেয়াল করার প্রয়োজন নেই।
    প্রথম কয়েকটি আর্টিকেল নিয়ম মেনে লিখলে পরের বার আপনাকে আর কিছু চিন্তা করতে হবে না। অটোমেটিক্যালি সব পয়েন্ট চলে আসবে।

আপনি যখন আর্টিকেলটি কোন ওয়েবসাইটে পোস্ট করবেন তখনঃ

আপনার নিজের যদি ব্লগে আপনি আর্টিকেল লিখতে চান তাহলে আমার পরামর্শ থাকবে আপনি আগে আপনার কীওয়রডগুলো খুজে বের করুন। এমনকি ট্যাগেও আপনি যে কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করবেন সেগুলোও আগে একটি নোটে সেভ করে রাখুন। এতে করে আপনার আর্টিকেল লিখার সময় আস্তে আস্তে ট্যাগ থেকে বিভিন্ন কীওয়ার্ড আর্টিকেলে ব্যবহার করতে পারবেন।পুরো আর্টিকেল লিখার পর কোন নতুন কীওয়ার্ড পেলে সেটা খুব সহজেই পরে আপনি ট্যাগে সংযুক্ত করতেই পারবেন।

এছাড়াও নিচের বিষয়গুলি খেয়াল না করলে আর্টিকেলের মান খারাপ হতে পারেঃ

  • এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল ব্যবহার করবেন
  • সাব হেডিং ব্যবহার করুন।
  • টেবিল অব কনটেন্ট ব্যবহার করুন
  • কীওয়ার্ড ডেনসিটি বা ঘনত্ব ঠিক রাখুন
  • এসইও ফ্রেন্ডলি ইউআরএল সেট করুন
  • ইন্টার্নাল লিঙ্কিং করুন।অর্থাৎ ওয়েবসাইটের একটি পোস্টের সাথে অন্য পোস্টের লিংক বিল্ডিং করুন।
  • কোন রিসার্স থেকে তথ্য নিলে সেটার উল্লেখ করুন।
  • আর্টিকেলের সাথে ফিট হয় এমন ছবি ব্যবহার করুন।
  • ছবিতে Alt Tag ব্যবহার করুন।
  • পোস্টে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলি হাইলাইট করুন। সাব হেডিংগুলি ছাড়াও
  • টেক্স কালার ফুল না করাটাই ভাল।

পুরো আলোচনায় আমি আমার অবিজ্ঞতায় হাই কোয়ালির আর্টিকেল লিখার যাবতীয় বিষয় তুলে আনার চেস্টা করেছি। হয়তো কিছু বিষয় বাদ পড়তে পারে, কিছু বিষয় ভাল ভাবে বুঝাতেও সমস্যা হতে পারে। যদি আপনার কাছে কোন মতামত , পরামর্শ থাকে তাহলে নির্দিধায় জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.